পাবনার বেড়া পৌর এলাকার নদীর ঘাটের নিয়ন্ত্রণ ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেড়া পৌর এলাকার ১ নং ওয়ার্ডের বৃশালিখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের তাৎক্ষণিক নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেড়ার হুরা সাগর নদীর বৃশালিখা সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর নির্বাচনী এলাকা। আগে বৃশালিখা ঘাট নিয়ন্ত্রণ করতো টুকুপুত্র আসিফ সামস রঞ্জন ও টুকুর ভাই সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল বাতেনসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে স্থানীয় বিএনপির একাংশকে সঙ্গে নিয়ে তারা ঘাটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাসান আলীর নেতৃত্বে বিএনপির আরেকটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছিল। সেই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের মধ্যেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ফকির বলেন, চাঁদাবাজি গ্রুপের সঙ্গে নামধারী বিএনপির মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। এখন চাঁদাবাজি কারা করতেছে? এজন্য এ বিষয়ে কোনো খোঁজ-খবর নেওয়ারই প্রয়োজন মনে করছি না। তাই এ বিষয়ে আর কিছু বলতে পারছি না।
এ বিষয়ে বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সবাই আছে। সেখানে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সেনাবাহিনীসহ আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।
সময়ের আলো/এনএ