চট্টগ্রামে ইপিজেড এলাকার একটি কারখানায় লাগা আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের পাশাপাশি যোগ দিয়েছে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী। আগুন লাগা তোয়ালে কারখানার সব শ্রমিককে নিরাপদে বের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন। অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড নামের ওই কারখানার বহুতল ভবনে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বড় ধরনের হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বেলা ২টার দিকে দক্ষিণ হালিশহরে অবস্থিত ৯ তলা ভবনটিতে আগুন লাগে। সেটি আস্তে আস্তে নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিট কাজ করে। পরে যোগ দেয় আরও ৫টি ইউনিট। পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনা ও নৌবাহিনীর পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়।
অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলী ফখরী জানান, পুরো ভবনের সবকয়টি ফ্লোর তাদের। ওপরের দিকের ফ্লোরে লাগা আগুন নিচের দিকেও ছড়িয়ে পড়ছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানাতে পারেননি তিনি।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, বেলা ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট কাজ করছে। হতাহত ও ক্ষতির বিষয়ে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না।
এক বিবৃতিতে ফায়ার সার্ভিস জানায়, আজ বেলা ২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম সিইপিজেডের লিংকরোডে একটি তোয়ালে কারখানায় আগুন লাগার খবর পায় তারা। খবর পেয়ে ২টা ১২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। সাততলা একটি ভবনের পাঁচ, ছয় ও সাততলায় আগুন লেগেছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সিইপিজেড, বন্দর, কেইপিজেড ও আগ্রাবাদের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পাঁচটি ইউনিট।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বহুতল কারখানার ওপরের তলায় আগুন জ্বলছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। কারখানাটিতে কতজন শ্রমিক ছিলেন, কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামির হোসেন বলেন, ইপিজেডের ভেতরে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে। সেখানে মেডিকেল অ্যাকসেসরিজ তৈরি হতো। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।
সময়ের আলো/এনএ