বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামমুখী মারছা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের সব যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে মালুমঘাট খ্রিষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতাল ও চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এর মধ্যে মালুমঘাট হাসপাতালে তিনজন এবং চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজন মারা যান।
তিনি আরও বলেন, নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তারা পর্যটক ছিলেন এবং কক্সবাজারে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও মাইক্রোবাসটি জব্দ করে হাইওয়ে থানায় নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দ্রুতগতির মারছা পরিবহন এখন এই মহাসড়কের নতুন আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। আধুনিক ও নতুন মডেলের বাস থাকলেও চালকেরা প্রতিযোগিতার মতো করে গাড়ি চালাচ্ছেন। যাত্রী ওঠানো-নামানোর প্রতিযোগিতা, অন্য বাসকে ওভারটেকের চেষ্টা এবং অতিরিক্ত গতিতে প্রায়ই ঘটে যাচ্ছে দুর্ঘটনা।
চকরিয়া, রামু থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ছোট-বড় দুর্ঘটনাগুলোর বেশিরভাগেই জড়িত মারছা পরিবহনের বাস।
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল গফুর বলেন, ‘প্রতিদিনই মারছার বাসগুলো এমন গতিতে ছুটে, যেন মহাসড়কটা তাদের রেস ট্র্যাক। প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামবে না।’