চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ২৬ জেলেকে একটি ট্রলারসহ ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল উপকূল থেকে যাত্রা করা ট্রলারটি ঘন কুয়াশার কারণে দিক হারিয়ে ভারতের জলসীমায় ঢুকে পড়লে তাদের আটক করে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে তাদের আটকের খবর আসলেও বিষয়টি এতদিন গোপন ছিলো। ঘটনার চারদিন পর বুধবার ( ১৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছে ভুক্তভোগী জেলেদের পরিবার।
ট্রলারটির মালিক শেখেরখীল এলাকার এফ বি ‘মায়ের দোয়া’ ফিশিং ট্রলারের মালিক জাহাঙ্গীর আলমও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২৬ জন জেলেকে নিয়ে ট্রলারটি শুক্রবার সকালে যাত্রা করে। ঘন কুয়াশার কারণে দিক হারিয়ে ভারতের জলসীমায় ঢুকে পড়লে তাদের আটক করে ভারতীয় কোস্টগার্ড।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আটক জেলেরা বর্তমানে ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ফ্রেজারগঞ্জ থানার হেফাজতে রয়েছেন।
আটক জেলেরা বাঁশখালী, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া ও লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের বাসিন্দা। এর মধ্যে মো. আলী চাঁন, মো. জিয়াউল হক, মো. ইউসুফ, মো. জোবাইর, ওসমান গণি বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এছাড়াও রেজাউল করিম, আবু তাহের, ছরওয়ার হোসেন, মো. মিরাজ উদ্দীন, মামুনুর রশীদ, ছৈয়দ নূর, শওকত আলম, মো. ইলিয়াস, মো. মারুফুল ইসলাম, মো. ফারুক, মো. একরাম, নূর মোহাম্মদ কক্সবাজারের বাসিন্দা।
অন্য জেলেরা হলেন, মহেশখালীর আজিজুর রহমান, মুজাম্মেল হক, পেকুয়া উপজেলার মোহাম্মদ আজিজ ও লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মো. হাসান। এ ছাড়া ট্রলারে থাকা আরও পাঁচজনের নাম এখনও জানা যায়নি।
ট্রলার মালিক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনার পর চট্টগ্রাম সদরঘাট নৌ থানায় লিখিতভাবে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সদরঘাট নৌ থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি অবহিতকরণ ডায়েরি হিসেবে থানায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এদিকে পরিবারগুলো দ্রুত জেলেদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সময়ের আলো/এআর