জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া সুলতান মাহমুদ বাবুর পরিবর্তন চেয়ে কাফনের কাপড় পরে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছেন উপজেলা বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।
এ সময় তারা সুলতান মাহমুদ বাবুর মনোনয়ন বাতিল করে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ.এস.এম আব্দুল হালিমকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে ইসলামপুর পৌরশহরের বটতলা মোড়ে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন সরকারের সভাপতিত্বে অবস্থান ধর্মঘট ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা আব্দুর রউফ দানু, শফিকুল ইসলাম সেলিম, রফিকুল ইসলাম তারা, এনামুল হক ডেভিট, রুহুল আযম লুলু, মো. মনিরুল করিম, কামরুল হুদা পাহলোয়ান স্ট্যালিন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা শারীরিকভাবে অসুস্থ ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে চলা সুলতান মাহমুদ বাবুর পরিবর্তন দাবি করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল বলেন, এ.এস.এম আব্দুল হালিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের অধিকার, নদীশাসন, নদী ভাঙন রোধ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন।
স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় তার বিরুদ্ধে ১৪টি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সমাবেশে জয়নাল আবেদীন সরকার বলেন, সম্ভাব্য মনোনয়ন পাওয়া ১/১১ এর সংস্কারপন্থী নেতা সুলতান মাহমুদ বাবু শারীরিকভাবে অক্ষম। সাবেক আওয়ামী লীগ মন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলালের সঙ্গে আঁতাত করে চলার কারণে ওই সময় তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি।
তিনি বলেন, এ আসনে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী হওয়ায় এ.এস.এম আব্দুল হালিমের মত যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন না দিলে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থীর এ আসন থেকে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ.এস.এম আব্দুল হালিমকে মনোনয়ন না দিলে
ইসলামপুরবাসী বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সময়ের আলো/এআর