চট্টগ্রাম বন্দরে একদিনে ৬ হাজার ৩০১টি গেট পাস ইস্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) এসব গেট পাস ইস্যু হয়। এর মধ্যে কনসাইনি গেট পাস ছিল ৪ হাজার ৭৩৪টি, অফ ডক গেট পাস ছিল ১ হাজার ৫৬৭টি। গেট পাসের এই সংখ্যা একদিনে সর্বোচ্চ এবং নতুন রেকর্ড।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সমুদ্র বন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রফতানি প্রবাহের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। জাতীয় অর্থনীতি, শিল্পায়ন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বন্দরটি বহু বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
প্রতিদিনের কার্যক্রমে গতি স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের উন্নয়ন, রাজস্ব বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় বড় ধরনের অবদান রেখে চলেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে নানা ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশনে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। একদিনে সর্বোচ্চ গেট পাস ইস্যুর মাধ্যমে তা প্রমাণিত। আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস) অ্যাপ –এর সফল ব্যবহার বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও দক্ষ করেছে।
এর ফলে সার্বিক পোর্ট অপারেশনে অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের কারণে দ্রুত কনটেইনার হ্যান্ডলিং, গেট অপারেশন, ডকুমেন্ট প্রসেসিং এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং সম্ভব হওয়ায় সেবার মান যেমন বেড়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের সময় ও খরচ দুই ক্ষেত্রে সাশ্রয় হচ্ছে।
বন্দরকে আরও স্মার্ট ও অটোমেশন–নির্ভর করতে গৃহীত উদ্যোগ ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলে আশা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দরের এই ধারাবাহিক সাফল্য বাংলাদেশের সমগ্র বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।
সময়ের আলো/এআর