রংপুরে তিন দিনব্যাপী শুরু হওয়া বিভাগীয় ইজতেমার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছেন প্রায় দশ লাখ মুসল্লি। বৃহৎ জামাতে অংশ নিতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তারা। জুমার নামাজে অংশ নিতে সকাল থেকেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের ঢল নামে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এ বিভাগীয় ইজতেমা।
সরেজমিনে দেখা যায়, রংপুর বিভাগের ৮ জেলাসহ দেশর বিভিন্ন অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন। মূল ময়দানে জায়গা না পেয়ে আশপাশের খালি জায়গায় অবস্থান নিয়ে নামাজ আদায় করেন হাজার হাজার মুসল্লি। অনেকেই পাটি, পলিথিন ও চট বিছিয়ে খোলা জায়গায় জুমার নামাজ আদায় করেন।
ফজরের নামাজ আদায় পরবর্তী হেদায়েতি বয়ানে ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, দাওয়াতের মেহনত হলো নবুয়তি মেহনত। এ মেহনত খুলুসিয়াত ও আজমতের সঙ্গে যারা দ্বীনের কাজ করবে তাদের যে কোনো আমলের ফজিলত বহুগুণ বেড়ে যায়।
বয়ানে তিনি বলেন, পরকালের চিরস্থায়ী সুখ-শান্তির জন্য আমাদের প্রত্যেককে দুনিয়াতে জীবিত থাকা অবস্থায় দ্বীনের দাওয়াতের কাজে জানমাল দিয়ে মেহনত করতে হবে। ঈমান আমলের মেহনত ছাড়া কেউ হাশরের ময়দানে কামিয়াব হতে পারবে না।
রংপুরের স্থানীয় দৈনিকে সাংবাদিক আমানত আলী বলেন, গত বছরও রংপুরের ইজতেমায় জুমার নামাজ পড়েছি। এবার বিভাগীয় ইজতেমা হওয়ায় প্রায় দশ লাখ মানুষের সঙ্গে নামাজ আদায় করলাম। খুব ভালো লাগলো। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং আমার সৌভাগ্য যে, এত মানুষের সাঙ্গে নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করেছেন।
রংপুর আইনজীবী সমিতির জয়েন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট একেএম হারুন উর রশীদ বলেন, সময় করে ইজতেমা মাঠে তিন দিনের জামায়াতে অংশগ্রহণ করেছি। জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আজকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে মানুষ এসেছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী জানান, ইজতেমার নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। তবে, নিরাপত্তা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
সময়ের আলো/কেএইচও