লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আসামি ধরতে গিয়ে পৃথক পৃথক ঘটনায় হামলার শিকার হয়েছেন ৩ পুলিশ কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
এদিকে একের পর এক পুলিশের ওপর হামলায় ঘটনায় এ থানার মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে, এ ঘটনার দুই দিন পার হলেও এখনো কোনো আইনি ব্যবস্থা নেননি হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানউল্লাহ।
হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ওই উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বারোদুনিয়া এলাকায় আসামি ধরতে গেলে আসামি পক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালান এবং সেইসঙ্গে ‘ডাকাত-ডাকাত’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। এসময় তাদের হামলায় তিনিসহ দুজন আহত হন এবং পরে স্থানীয় হাসপাতালে তারা চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
অপরদিকে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান জানান, বুধবার রাতে ওই উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের ঠ্যাংঝারা এলাকায় আসামি ধরতে গেলে আসামি পক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালান। এতে তিনিসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন এবং স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন তারা।
এদিকে পরপর দুই দিন পুলিশের উপর হামলা ঘটনা ঘটলেও ২ দিন অতিবাহিত হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন মোহাম্মদ আমানউল্লাহ।
পুলিশের উপর হামলায় ঘটনায় এ থানায় মাঠের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নাম না প্রকাশ শর্তে হাতীবান্ধা থানার এক পুলিশ সদস্য জানান, সন্ধ্যা হলে ওসি ম্যাসেজ দেয় আসামী ধরে থানায় আসতে হবে। কিন্তু আসামী ধরতে গিয়ে একের পর এক হামলার শিকার হলেও আইনী ব্যবস্থা নিতে গড়িমাসি করছেন হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানউল্লাহ।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানউল্লাহ হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উর্ধতন কতৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়া আইনি ব্যাবস্থা নিতে বিলম্ব হচ্ছে।
তবে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য হাতীবান্ধা থানার ওসিকে নিদের্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কি কারণে আইনী ব্যবস্থা নেয়নি তা খোজঁখবর নেয়া হচ্ছে ।
সময়ের আলো/কেএইচও