উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে কনকনে ঠান্ডা, হিমেল বাতাস আর কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। জেলাজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত। জেলার ওপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। কয়েকদিন থেকে ভোরে সূর্যের দেখা মিলছে না। শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। দৈনন্দিন কাজকর্মে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এদিন সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকালে ঘন কুয়াশার আবরণে ঢেকে গেছে এই জেলা। কুয়াশার সঙ্গে বইছে হিমেল বাতাস। সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে। প্রয়োজনের বাইরে অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। তবে জীবিকার তাগিদে কাজে যেতে দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। বাড়ির আঙিনায় খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে অনেকে হতদরিদ্র মানুষকে।
ভ্যান ও রিকশাচালক এবং পাথর ও চা শ্রমিকরা জানান, শীতের কারণে কাজে যেতে কষ্ট হচ্ছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে ঠান্ডা বাতাস। তবুও পরিবারের কথা চিন্তা করেই শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে।
এদিকে শীতের কারণে বেড়েছে বিভিন্ন শীতজনিত রোগ। প্রতিদিন সর্দি, জ্বর, কাঁশি, ডায়েরিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানান রোগ নিয়ে হাসপাতালে বহির্বিভাগে ভিড় করছেন রোগীরা। এদের বেশির ভাগ শিশু ও বয়োবৃদ্ধ। চিকিৎসকরা চিকিৎসার পাশাপাশি শীতে সুরক্ষিত থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ব্যাপক ঠান্ডা এই অঞ্চলে। আজকের তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৯ শতাংশ।
আরআর