দিনাজপুর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.তোফাজ্জল হোসেন সময়ের আলোকে জানান,আজ দিনাজপুরে সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সকাল ছয়টায় যশোরে ৮.০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
আবহাওয়া কর্মকর্তা জানান,আজ সকাল ৬টায় দেশের অন্যান্য কয়েকটি স্থানের তাপমাত্রা: তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) ৯.৫, রংপুর ১২.৩, বগুড়া ১১.৪, রাজশাহী ৯.০, ঈশ্বরদী (পাবনা) ১০.৪, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) ১০.৫, ডিমলা (নীলফামারী) ১০.৫, বদলগাছি (নওগাঁ) ১১.০, যশোর ৮.০, চুয়াডাঙ্গা ৮.৭, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া কর্মকর্তা জানান,তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে সেক্ষেত্রে শৈত্যপ্রবাহ চলমান থাকে। বর্তমানে কাগজে-কলমে দেশের কোথাও শৈতপ্রবাহ না থাকলেও শৈতপ্রবাহের চেয়েও করুন অবস্থা বিরাজ করছে।
কারণ শৈত্যপ্রবাহ থাকলে রাতে একটি স্বল্প সময়ের জন্য তাপমাত্রা ১০ এর নীচে বিরাজ করে, এরপর তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। কিন্তু বর্তমানে দিন ও রাতের পুরো সময় জুড়ে তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। টানা ৩ দিন ধরে এ অবস্থা কম-বেশি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে জনজীবনে এক প্রকার অসহনীয় অবস্থা বিরাজ করছে।
এদিকে, কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। তীব্র শীতে কাহিল হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা। দিনে সূর্যের দেখা না মিললেও সন্ধ্যার পরে তাপমাত্রা আরও কমে তীব্র শীতের পাশাপাশি হালকা হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিচ্ছে ঠান্ডার প্রকোপ। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল গুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ। ডায়রিয়া-নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগ বাড়ছে। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যা বেশি।
/ইউএমএইচ