নোয়াখালীর বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিহত জামাল ঢাকায় আয়োজিত তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) তারেক রহমান ফোন দিয়েছিলেন বলে জানান নিহত জামাল উদ্দিনের বড় সন্তান। ফোনালাপে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মরহুম জামালের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এর আগে, গত ২৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাত পৌনে দুটার দিকে ঢাকায় সমাবেশে যোগ দিতে কুমিল্লার বাগমারা বাজারে বাস দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা জামালসহ অন্তত ৩২ নেতাকর্মী আহত হয়। এর মধ্যে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে ইন্তেকাল করেন জামাল।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনায় জামাল আহত হওয়ার খবর শুনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শুক্রবার বিএনপি নেতা জামাল মারা যাওয়ার বিষয়টি জেনে ফোন করে শোকাহত পরিবারের খোঁজ খবর নেন। আগামীতে তিনি জামালের পরিবারকে সরেজমিনে দেখতে আসবেন বলেও জানা যায়।
ফোনে নিহত জামাল উদ্দিনের বড় ছেলেকে তারেক রহমান বলেছেন, আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের মধ্যে আমিও আছি। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এখন তার জন্য দোয়া করা। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করব। পরিবারের সবার প্রতি খেয়াল রাখবে। ঝড়-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা যাই আসুক, তিন ভাই একসঙ্গে থাকবে। নিশ্চয়ই তোমাদের বাবা এটাই দেখতে চেয়েছেন। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসিব করুন।
নিহত জামাল নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন এবং তিনি একই ওয়ার্ডের আরশাদ মিয়ার ছেলে। তিনি তিন ছেলে এক মেয়ে সন্তানের জনক ছিলেন।
এফআর