ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও জামায়াত প্রার্থী শাহীনুর ইসলামসহ আটজনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম।
অন্য যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তারা হলেন— গণ অধিকার পরিষদের মো. সাজ্জাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. জাফর, গণসংহতি আন্দোলনের বাচ্চু ভুঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান আহমেদ খান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মজিবুর হাওলাদার, গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী।
এদিকে, আসনটিতে জাতীয় পার্টির ফারুখ ছাড়াও স্বতন্ত্র সাতজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। ঋণ খেলাপি ও এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনে গড়মিলর কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল করার কথা বলা হয়েছে।
এর মধ্যে, পল্লী বিদ্যুতের রিপোর্ট অনুসারে, জেপির ফারুকের বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা বকেয়া আছে। মনোনয়নপত্র দাখিল করার সাতদিন আগে সব বিল পরিশোধ করার বিধান থাকলেও তিনি তা করেননি। এ কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোজাদ্দেদ আলী বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ঋণ খেলাপি (পূবালী ব্যাংকের)। ১ শতাংশ ভোটারের মধ্যে দৈবভাবে নির্বাচিত ১০ জন স্যাম্পল ভোটারের একজনেরও সত্যতা পাওয়া যায়নি। তাই মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মনির হোসেনের দেওয়া এক শতাংশ ভোটার ভ্যারিফিকেশনে ভোটারদেরকে চিহ্নিত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তাই মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। একই রকম অভিযোগে নাজিম উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
এছাড়াও স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা পারুল মোল্যা, বেলাল হোসেন ও রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের ক্ষেত্রেও এক শতাংশ ভোটারের সত্যতা মেলেনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল হলে নিয়ম অনুযায়ী আপিলের সুযোগ পাবেন আগ্রহী প্রার্থীরা। বাছাইয়ে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল দাখিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ঢাকা-৩ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬২ হাজার ১৫৯ জন।
এফআর