কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত কাজল মিয়া (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) তার মারা যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায়।
এর আগে, টানা ৩৪ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর গত ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে কাজলের মৃত্যু হয়। পরে গতকাল শুক্রবার বিকেলে নিহত কাজল মিয়ার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। বিষয়টি এতদিন গোপন থাকায় তার মৃত্যুর খবর জানা যায়নি।
নিহত কাজল উপজেলার দরাজখোলা গ্রামের রমুজ উদ্দিন প্রধান বাড়ির বাসিন্দা বশির উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় একজন রং মিস্ত্রী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় , গত ২৭ নভেম্বর বিকেলে স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দরাজখোলা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি ও চৌধুরী বাড়ির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় নিহত কাজল মিয়া পাশের গ্রাম থেকে রঙের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে সংঘর্ষ থামাতে যান। তবে চৌধুরী বাড়ির লোকজন কাজল মিয়াসহ পাঁচ থেকে ছয়জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ও পরে গুরুতর আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান কাজল।
এদিকে, নিহতের বাবা বশির উদ্দিন, চাচা নজরুল মেম্বারসহ স্বজন ও এলাকাবাসীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি আমরা শুরু থেকেই গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। আহত অবস্থায় একটি মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। কাজল মিয়ার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এফআর