ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে মার্কিন ডেলটা ফোর্স। এ অভিযানে প্রায় ২০০ সামরিক সদস্য অংশ নেয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট জার্নাল। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এটিই প্রথমবারের মতো অভিযানে অংশ নেওয়া মার্কিন সেনাসংখ্যা প্রকাশ করা হলো।
এ অভিযানে ১৫০টিরও বেশি সামরিক বিমান উড়ে এসেছিল বলে জানান হেগসেথ।
পিট হেগসেথের বরাতে জার্নাল জানিয়েছে, কারাকাসে মাদুরোকে আটক করার আগে কিছু হেলিকপ্টার ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।
গতকাল সোমবার হেগসেথ জানান, কোনো মার্কিন সেনা হতাহত না হয়েই অভিযানে মাদুরোকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। ওই অভিযানে মার্কিন বাহিনী হেলিকপ্টারযোগে কারাকাসে ঢুকে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সহায়তায় কাজ করা হয় এবং মোট ১৫০টির বেশি সামরিক বিমান বিভিন্ন ভূমিকায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলাও ছিল।
এ সময় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিশ্চিত করে বলেন, প্রায় ২০০ জনের মতো মার্কিন সেনা এই অভিযানে অংশ নেন।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ১২ বছর ক্ষমতায় থাকা মাদুরো ক্রমশ কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করেছিলেন এবং মাদক পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে ৫০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অভিযানের মাধ্যমেই তাকে আটক করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়।
সোমবার নিউইয়র্কের একটি আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রী নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ‘নট গিল্টি’ আবেদন জানান। মাদুরো দাবি করেন, তিনিই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট। তাকে অন্যায়ভাবে আটক করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সময়ের আলো/এসকে/