কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ছয় কোটি টাকা মূল্যের দুই লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় পাচারকারী কাউকে আটক করা যায়নি।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) উপজেলার খারাংখালি এলাকা থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির উখিয়া ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
বিজিবি জানিয়েছে, শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খারাংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় তারা সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৪ থেকে ৩০০ গজ দক্ষিণ দিকে এবং বিওপি থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্ব দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মৌলভীবাজার ইলিয়াসের বাড়ি সংলগ্ন স্থানে অবস্থান নেয়। ভোর রাত (১৭ জানুয়ারি) ৩টার দিকে চারজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মায়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে।
বিজিবির দাবি, চোরাকারবারীরা বিজিবি টহল দলের চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে তাদের দিকে তিন রাউন্ড ফায়ার করে। প্রতিউত্তরে বিজিবিও তাদের দিকে এক রাউন্ড ফায়ার করে। বিজিবির সশস্ত্র বাধার মুখে চোরাকারবারিরা সাঁতরে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে নীল রংয়ের ২টি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে স্কচ টেপ দিয়ে মোড়ানো খাকি রংয়ের বায়ুরোধী বিশ প্যাকেটে ২ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরআর