গাজা থেকে সর্বশেষ জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করেছে দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গত অক্টোবরে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে মাস্টার সার্জেন্ট র্যান গিভিলিকে খুঁজছিলো ইসরায়েল।
শর্ত অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত সকল জিম্মিকে ফেরত দেওয়ার কথা ছিল হামাসের। এর আওতায় ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মি এবং ২৭ জন মৃত ইসরায়েলি ও বিদেশি জিম্মির মরদেহ বা দেহাবশেষ হস্তান্তর করা হয়। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হামাস জানিয়ে আসছিলো, তারা এখনও গিভিলির সন্ধান পায়নি।
এদিকে গতকাল রোববার ইসরায়েল জানায়, র্যান গিভিলির মরদেহ খুঁজে বের করে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার পর গাজা ও মিশরের মধ্যকার সীমান্ত ক্রসিং আবার খুলে দেওয়া হবে। খবর বিবিসির।
সেক্ষেত্রে এখন যেহেতু মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেহেতু ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে এগোনোর পথটিও খুলেছে। এই ধাপে গাজার পুনর্গঠন ও অঞ্চলটিকে পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের কথা রয়েছে। এর মধ্যে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্ত্র সমর্পণও অন্তর্ভুক্ত।
র্যান গিভিলির সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত এতদিন এই ধাপে এগোতে রাজি ছিল না ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইয়ামাম কমান্ডো যোদ্ধা মাস্টার সার্জেন্ট (রিজার্ভ) র্যান গিভিলি ২০২৩ সালের সাতই অক্টোবর সকালে নিহত হন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ২৪ বছর। এরপর তার মরদেহ অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এবার গাজা থেকে সকল জিম্মিকেই ফেরত আনা হয়েছে।
সময়ের আলো/এসকে/