মা হওয়ার পর জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে ভাবনার জায়গাটা আরও গভীরভাবে বুঝতে পারছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। সম্প্রতি তিনি ভারতের একটি সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের এক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চন ও ভিকি কৌশলের উপস্থিতিতে আলিয়া জানান, মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার ন্যানিকে হারান। যিনি শুধু তার ন্যানি নন, বরং পরিবারের একজন সদস্যের মতোই ছিলেন। আলিয়ার ভাষায়, তিনি ছিলেন দিদির মতো একজন মানুষ।
ঘটনার বর্ণনায় আলিয়া বলেন, একদিন তার ন্যানি মোটরসাইকেলে করে মন্দিরে যাচ্ছিলেন। সঙ্গীর মাথায় হেলমেট থাকলেও ন্যানির মাথায় হেলমেট ছিল না। পথে একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এই দুর্ঘটনা আলিয়ার মনে গভীর ছাপ ফেলে এবং দীর্ঘদিন তিনি আতঙ্কে ভুগেছেন।
এর পর থেকেই পরিবারের সবাই নিরাপত্তা বিষয়ে আরও সতর্ক হয়ে ওঠে। আলিয়ার মা সব সময় উদ্বিগ্ন থাকতেন এবং গাড়িচালককে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না।
আলিয়া বলেন, এখন নিজে মা হওয়ার পর সেই সময়কার ভয়, উদ্বেগ ও নিরাপত্তার গুরুত্ব তিনি আরও স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছেন। তার কথায়, এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি।
বর্তমানে আলিয়া ভাট পেশাগত ব্যস্ততার পাশাপাশি কন্যা রাহাকে নিয়ে মাতৃত্বের সময় উপভোগ করছেন। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, মেয়ের জন্মের পর তিনি ও রণবীর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, রাহাকে কখনো তারা একা রাখবে না, একজন কাজ করলে অন্যজন ছুটি নিয়ে সন্তানের সঙ্গে থাকবেন।
/ইউএমএইচ