প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৬ এএম আপডেট: ২৭.০১.২০২৬ ১১:১৬ এএম
হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে এবার যেন সময়ের আগেই বসন্তের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। ছবি : সময়ের আলো বাংলা প্রবাদে মাঘের শীতকে ‘বাঘ পালানো’ শীত বলা হলেও, হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে এবার যেন সময়ের আগেই বসন্তের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের হাড়কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহের অবসান ঘটিয়ে জেলায় এখন বিরাজ করছে রৌদ্রোজ্জ্বল ও মনোরম আবহাওয়া। টানা কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় জনজীবনে স্বস্তি ও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রিতে। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা গড়ে ১১ ডিগ্রির আশেপাশে থাকায় জেলা থেকে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব পুরোপুরি কেটে গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোরের আকাশ এখন কুয়াশাহীন ও স্বচ্ছ। সূর্য ওঠার পর থেকেই ঝকঝকে রোদে চারপাশ আলোকিত হয়ে উঠছে। সকাল ৯টার পর থেকেই রোদের উত্তাপ বাড়তে শুরু করে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠায় দুপুরে এখন রীতিমতো গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে দিনের বেলা আবহাওয়া বসন্তের মতো আরামদায়ক হলেও সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত এখনো বেশ শীতের আমেজ রয়ে গেছে।
শীতের দাপট কমায় স্বস্তিতে কাজে ফিরেছেন পাথর ও চা শ্রমিকরা। কনকনে ঠান্ডার ভয় না থাকায় ভোর থেকেই কর্মব্যস্ত হয়ে উঠছে সীমান্ত জনপদ।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, তাপমাত্রা বাড়ায় এখন শৈত্যপ্রবাহের কোনো প্রভাব নেই। আজকেও ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। আকাশ পরিষ্কার থাকায় দিনের বেলা সূর্যের প্রখরতা বাড়ছে, তবে রাতের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা কমে হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডার পর এমন রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে।
/ইউএমএইচ