বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের নিয়ে বুধবার বিকেলে মিনি স্টেডিয়ামে ‘নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান’র আয়োজন করা হয়। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম রাসেল, ঝিনাইগাতি থানার ওসি নাজমুল হাসানসহ অন্যরা মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরুর অপেক্ষা করছিলেন।
অনুষ্ঠানস্থলে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই চেয়ারে বসা থাকলেও, বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল অনুষ্ঠানস্থলে না পৌঁছায় বিএনপির আগত নেতাকর্মীরা অপেক্ষায় ছিলেন। ফলে চেয়ারে সবার বসা হয়নি। এসময় চেয়ারে বসা নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাগ্বিতণ্ডা থেকে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। একপর্যায়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় অনুষ্ঠানস্থল।
এসময় ভেঙে ও পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল। লন্ডভন্ড হয়ে যায় ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানস্থল।
সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ আহত হয়েছেন। নতুন করে আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তবে এসব ঘটনায় ঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত ও বিএনপি একে অন্যকে দোষারোপ করেছে।
এফআর