ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হতে পারেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির্সেএক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, স্টারমার এখনও প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা নিয়ে লেবার পার্টির অনেক এমপি বিস্মিত, কারণ ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন তিনিই।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই দলের ভেতরেই স্টারমারের পদত্যাগ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
এদিকে, ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। যা প্রকাশের পরে ইতোমধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফ মর্গান ম্যাকসুইনি পদত্যাগ করেছেন।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা গোপনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের স্টারমারকে পদত্যাগের জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। এমনকি নিজেদের পদত্যাগের হুমকি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিদায় ত্বরান্বিত করার কথাও ভাবছেন। এক মন্ত্রীর উপদেষ্টার মতে, আগামী সপ্তাহেই স্টারমারের পদত্যাগের সম্ভাবনা ‘৫০-৫০’।
তবে স্টারমারের সম্ভাব্য পদত্যাগ মানেই যে নতুন সাধারণ নির্বাচন হবে, এমন নয়। লেবার পার্টি দলীয় ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচন করতে পারে। তাদের নির্বাচিত নতুন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন।
এর আগে, ২০২২ সালে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টিও একইভাবে এক বছরের মধ্যে বরিস জনসন ও লিজ ট্রাসকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করাতে বাধ্য করেছিল।
সময়ের আলো/কেএইচও