সংসদ হোক রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র

ওয়াসিম ফারুক

মতামত

দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে চেপে বসা স্বৈরশাসন, স্বেচ্ছাচারী আর জনবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ আজ এক নতুন

2026-02-18T02:11:22+00:00
2026-02-18T03:00:21+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
মতামত
সংসদ হোক রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র
ওয়াসিম ফারুক
প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১১ এএম   (ভিজিট : ২০৮)
গ্রাফিক : সময়ের আলো
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে চেপে বসা স্বৈরশাসন, স্বেচ্ছাচারী আর জনবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ আজ এক নতুন গণতান্ত্রিক ঊষালগ্নে দাঁড়িয়ে। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের সেই উত্তাল দিনগুলোতে ছাত্র-জনতার যে রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল, তার মূল আকাক্সক্ষাই ছিল একটি বৈষম্যহীন, মানবিক এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রকাঠামো। গত দেড় বছর দেশ কোনো প্রথাগত নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের অধীনে না থাকলেও মানুষ যে বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ভোগ করেছে, তা ছিল দীর্ঘ বঞ্চনার পর এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি। 

তবে বিপ্লব-পরবর্তী সেই আকাক্সক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে জনমানুষের ভোটে নতুন জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হলো- আমরা কি অতীতের সেই ধ্বংসাত্মক, নেতিবাচক এবং রক্তস্নাত রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারব? আমরা কি রাজপথের পেশিশক্তি আর সংঘাত পরিহার করে জাতীয় সংসদকে রাজনীতির মূল কেন্দ্রে পরিণত করতে সক্ষম হব? ​

একটি আধুনিক ও কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনীতির গতিপথ নির্ধারিত হয় আলোচনার টেবিলে এবং সংসদের ফ্লোরে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞায়, সংসদ হলো সেই পবিত্র স্থান যেখানে জনগণের প্রতিনিধিরা যুক্তির লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করেন এবং জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে দাঁড়ান। কিন্তু বাংলাদেশের দুর্ভাগ্যজনক ইতিহাসে আমরা বারবার দেখেছি, সংসদ যখন অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন রাজনীতি অনিবার্যভাবে রাজপথে নেমে আসে। আর রাজপথের রাজনীতি মানেই হলো বাহুবল, সংঘাত এবং সাধারণ মানুষের জানমালের চরম ক্ষতি।

রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে বিচার করলে দেখা যায়, ‘রাজপথে নয়, রাজনীতির মীমাংসা হোক সংসদে’ এই ধারণাটি কেবল একটি রাজনৈতিক সেøাগান নয়, বরং এটি একটি সুস্থ রাষ্ট্রের অস্তিত্বের অন্যতম শর্ত। ​সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের প্রবক্তা জন লক শিখিয়েছেন যে, নাগরিকরা তাদের কিছু প্রাকৃতিক স্বাধীনতা রাষ্ট্রের কাছে সমর্পণ করে যাতে একটি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। 

যদি রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রাজপথে সহিংসতার মাধ্যমে মিটমাট করতে হয়, তবে সেই সামাজিক চুক্তির মূল ভিত্তিই ভেঙে পড়ে। জ্যাঁ-জাক রুশো তার ‘দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট’ গ্রন্থে রাষ্ট্রের বৈধতার উৎস হিসেবে জনগণের সাধারণ ইচ্ছার কথা বলেছেন, যার প্রাতিষ্ঠানিক প্রকাশ ঘটে সংসদের মাধ্যমে। সংসদ কার্যকর না থাকলে রাষ্ট্রের বৈধতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আর ​ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ওয়াল্টার ব্যাগেহট সংসদকে সরকারের নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির বিরোধী দল হিসেবে উপস্থিতি  গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি হিসেবে আমাদের আশার আলো দেখাচ্ছে।  ইতিমধ্যে  জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে সংসদকে কার্যকর রাখতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং  ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠনের প্রস্তুতির ঘোষণা নিঃসন্দেহে একটি তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা। ছায়া মন্ত্রিসভা সেই দায়িত্ব পালনের একটি কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। 

এর মাধ্যমে বিরোধী দল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে পারে, সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করতে পারে। এর ফলে সরকারের ওপর একটি কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত হয় এবং সংসদীয় কার্যক্রম আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে। জামায়াতের পক্ষ থেকে সংসদে বিরোধী দলের ন্যায্য অধিকার ও গঠনমূলক বিতর্ক নিশ্চিত করার যে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে, তা একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য জরুরি। গণতন্ত্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই নিজ নিজ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে। তবে স্বাধীনতার দীর্ঘ পঞ্চান্ন বছর পরও বাংলাদেশের গণতন্ত্র আজও সংবিধানের পাতায় বন্দি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সহিংসতা এক করুণ রক্তস্নাত অধ্যায় পার করেছে।

স্বাধীনতার পরবর্তী বাংলাদেশ ছিল চরম অস্থির। রাজনৈতিক মতভেদ, রক্ষীবাহিনীর তৎপরতা এবং জাসদসহ বিভিন্ন বামপন্থি দলের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষকে জীবন দিতে হয়। ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কার্যত সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। এই পনেরো বছরে বাংলাদেশে একাধিক সফল ও ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান এবং পাল্টা অভ্যুত্থানে কয়েক হাজার সেনাসদস্য ও রাজনৈতিক কর্মী প্রাণ হারান। বিশেষ করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে রাজপথে ডা. মিলন, জেহাদ হোসেন, কাঞ্চন, দীপালি সাহা, মুকুল, ফারুকসহ অনেকের জীবন উৎসর্গ করলে ও বাংলাদেশের মানুষ পরবর্তীতে আর গণতন্ত্রের আসল স্বাদ গ্রহণ করতে পারেনি।

১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতায় প্রায় এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।  সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ে সহিংসতার ধরন ও মাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী ১ হাজার ৪০০ জন ব্যক্তিকে জীবন দিতে হয়েছে আর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্যমতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা ১, হাজার ৫৮১ জন। এত মানুষের আত্মদান রাষ্ট্রকে নতুন করে গড়ার সুযোগ করে দিলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা পুরোপুরি কাটেনি। 

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কোন্দল ও নির্বাচনি সহিংসতায় প্রায় ১৯৫ জন নিহত এবং ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। লক্ষণীয় বিষয় হলো, বর্তমানে সহিংসতার একটি বড় অংশই হলো আন্তঃদলীয় কোন্দল। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাব এবং স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের লড়াই এই সহিংসতার মূল কারণ। যখন সংসদীয় রাজনীতি দুর্বল থাকে, তখন তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীরা পেশিশক্তির মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জাহির করতে চায়। ​গত প্রায় দেড় যুগে দেশের সংসদীয় ব্যবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যেখানে সংসদ কার্যত একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। 

সেখানে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্বের পরিবর্তে দলীয় আনুগত্য, ক্ষমতার বৈধতা প্রদান এবং ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষাই  প্রাধান্য পেয়েছিল। জনগণের মৌলিক সমস্যা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব, কৃষকের ন্যায্যমূল্য কিংবা শ্রমিকের অধিকারের মতো বিষয়গুলো কোন গুরুত্ব পায়নি। এই আস্থাহীনতার চূড়ান্ত ফলাফলই আমরা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে রাজপথে দেখেছি। আন্দোলন, অবরোধ এবং সংঘর্ষ দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে মানুষের নিরাপত্তাবোধ এবং রাষ্ট্রের প্রতি আস্থার ক্ষেত্রে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামনে একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে। নির্বাচনের মাধ্যমে যে নতুন সংসদ গঠিত হয়েছে , তাকে অবশ্যই কার্যকর হতে হবে। সংসদকে কেবল আইন পাসের যন্ত্র না বানিয়ে একে জাতীয় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। সরকারি দলকে মনে রাখতে হবে যে, সংখ্যাধিক্যের অহংকারে বিরোধী দলকে উপেক্ষা করা মানেই হলো তাদের রাজপথে ঠেলে দেওয়া। 

অন্যদিকে বিরোধী দলকেও ‘সংসদ বর্জন’ নামক আত্মঘাতী সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অতীতের শিক্ষা আমাদের বলে যে, যখনই আলোচনার পথ বন্ধ হয়েছে, তখনই রাজপথে টিয়ারশেল আর লগি-বৈঠার তাণ্ডব শুরু হয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলনের সময় সড়ক অবরোধ আর হরতালের ঘটনায় দেশের অর্থনীতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তার প্রভাব আমরা আজও বয়ে বেড়াচ্ছি। অসংখ্য কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়েছে, মুমূর্ষু রোগী অ্যাম্বুলেন্সে ধুঁকে ধুঁকে মরেছে এই দৃশ্য আমরা আর দেখতে চাই না।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিটি বিষয়কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনি কাঠামোয় নিয়ে আসা অপরিহার্য। একটি টেকসই উন্নয়নমুখী ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গড়ার প্রধান শর্ত হলো ক্ষমতার ভারসাম্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। 

যদি সংস্কারের এই প্রস্তাবনাগুলো কেবল রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং যথাযথ আইনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ না পায়, তবে অতীতের মতো আবারও স্বৈরতন্ত্রের পুনরুত্থান ঘটার ঝুঁকি থেকে যায়। সংসদীয় গণতন্ত্রকে অর্থবহ করতে এবং বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত প্রতিটি স্তম্ভের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে এই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া সময়ের দাবি। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করা এখন সময়ের দাবি। 

জনগণের করের টাকার হিসাব তদারকি করা, পরিবেশ বিধ্বংসী প্রকল্প রোধ করা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সংসদের ভেতরেই হতে হবে। বিশেষ করে কৃষক, শ্রমিক এবং ছাত্রসমাজের প্রতিনিধিরা যাতে তাদের অভাব-অভিযোগ সরাসরি সংসদে পৌঁছাতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে দেশের কিছু জায়গায় নির্বাচন-পরবর্তী বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 

বিজয়ী প্রার্থীদের বুঝতে হবে যে, বিজয় মানেই দম্ভ নয়, বরং বিজয় মানে আরও বেশি বিনয় এবং দায়িত্বশীলতা। পরাজিত পক্ষকেও ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, রাজপথ কোনো রাজনৈতিক মীমাংসার স্থায়ী সমাধান নয়। ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক যাত্রা হোক অহিংস ও কল্যাণমুখী। রাজপথ ফিরে পাক তার স্বাভাবিক ছন্দ। মানুষ যেন নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারে, শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে ।

লেখক : প্রাবন্ধিক

সময়ের আলো/কেএইচও


  বিষয়:   সংসদ  রাজনীতি 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: