বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান-এর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন নিয়ে গত মাস থেকে আলোচনা জোরদার হয়েছে, যা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান। এর মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাকিবকে নিয়ে ইতিবাচক অবস্থান নেওয়ায় তার ফেরার সম্ভাবনা নতুন করে আলোচনায় আসে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিসিবির পরিচালক আসিফ আকবর এক টক শো-তে বলেন, সাকিবের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হয়। সবশেষ আমি আমেরিকায় গেলে সেখানেও কথা হয়েছে। সাকিব জানিয়েছে, সে খেলতে আগ্রহী। এরপর বোর্ড পরিচালকদের সম্মতিতে আমরা তাকে জাতীয় দলে চেয়েছি।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিবকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরতে পারেন। সে ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে তাকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে দুই দল ওয়ানডে সিরিজ খেলবে। চলতি মাসে তার ফেরা হচ্ছে না, তবে তাকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া থেমে নেই।
সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা পুরোনো মামলা ও আইনি জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার মামলা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। তার আইনজীবী বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। খুব শিগগিরই, সম্ভবত রোববার বা সোমবারের মধ্যে কেসের ফাইলগুলো সরকারের কাছে পাঠানো হবে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সেগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আশা করছি।
একই অনুষ্ঠানে বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেন, সাকিব যে মানের ক্রিকেটার, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সে খেলছে এবং কিছু পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। ফিটনেস ঠিক থাকলে সে খেলতে পারবে। সে বাংলাদেশের ক্রিকেটের একটি ব্র্যান্ড।
এর আগে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর আমিনুল হক বলেন, সাকিব-মাশরাফির বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করা হবে। আমরা নমনীয় থাকব। তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে, তা রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা চাই তারা বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফিরে আসুক।
/ইউএমএইচ