ভোলায় একটি স্যালো টিউবওয়েল চাপলেই গ্যাস বের হচ্ছে, এমন খবরে প্রতিদিনই সেখানে ভীড় জমাচ্ছেন উৎসুক লোকজন। আবার কেউ কেউ আগুন জ্বালিয়ে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিতের চেষ্টাও করছেন।
ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতুলি বাজার-সংলগ্ন শহররক্ষা বেড়িবাঁধের ২০ ফিট ভেতরে স্থানীয় জেলে জেবল হক মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।
অনেকে ধারণা করছেন মজুদ রয়েছে বিপুল পরিমাণ গ্যাস, আবার কারো ধারণা মাটির নিচে জমা রয়েছে পকেট গ্যাস। তবে, বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য বাপেক্সকে জানানোর কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিনে জানা যায়, স্যালো টিউবওয়েল স্থাপনকালে ৬০ ফুট প্লাস্টিক পাইপ বোরিং করে পানি উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পানি না উঠে পাইপের ভেতর থেকে বুদবুদ শব্দ বের হতে থাকলে সন্দেহের জেরে টিউবওয়েলের মুখে আগুন দিলে তা মুহূর্তে জ্বলে ওঠে। একইভাবে, প্রতিবার টিউবওয়েল চাপার পর আগুন দিলেই জ্বলে উঠে। তাদের ধারণা পানির সঙ্গে গ্যাস নির্গত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভোলা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করেছি, শিগগিরই বাপেক্সকে অবহিত করবো। অনেকসময় দেখা যায়, পকেট গ্যাস থাকে, বাস্তবে খনি নেই। বাস্তবিক অর্থে পুরো ভোলাটাই গ্যাসের উপরে ভাসমান, সব বিবেচনায় আমরা কাজ শুরু করবো।
প্রসঙ্গত, প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ দ্বীপজেলা ভোলায় নয়টি কুপ ও তিনটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
বাংলাদেশ গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের তথ্য মতে, ভোলা জেলার গ্যাসফিল্ডসমুহে মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ ২ দশমিক ২৪ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট (টিসিএফ)।
/ইউএমএইচ