ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হওয়ার পর নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ৮৮ সদস্যের নির্বাচিত ধর্মীয় পরিষদ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবেন। সর্বোচ্চ নেতা হতে হলে প্রার্থীকে পুরুষ, উচ্চপদস্থ আলেম, রাজনৈতিকভাবে দক্ষ এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যপূর্ণ হতে হয়।
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হলে তিন সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ দেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব সাময়িকভাবে পালন করবে। এই পরিষদে থাকবেন প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আলেম। খামেনির মৃত্যুর পর এই তিন সদস্য অন্তর্বর্তীকালীনভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার তদারকি করছেন।
সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন খামেনির দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা খামেনি, আলিরেজা আরাফি, মেহদি মিরবাগেরি এবং হাসান খোমেনি। মোজতবা খামেনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ, তবে সরকারি কোনো পদ নেই। আরাফি প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য পরিচিত, মিরবাগেরি কঠোর অবস্থানের জন্য এবং হাসান খোমেনি ধর্মীয় বৈধতা থাকলেও ক্ষমতার কেন্দ্রে তার প্রভাব সীমিত।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা পদবি আয়াতুল্লাহ, যা শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘সিনিয়র ধর্মীয় নেতা’ বোঝায়। খামেনি এই পদে ইরানের সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ফার্স নিউজ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে খামেনিকে তার কার্যালয়েই হত্যা করা হয়েছে।
/ইউএমএইচ