ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং কার্যক্রমের ৮১৬টি খানার জরিপ সম্পন্ন

নাটোর প্রতিনিধি

সারাদেশ

নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষে, পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উন্নয়নের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’

2026-03-04T10:41:34+00:00
2026-03-04T10:41:34+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬,
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
সারাদেশ
ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং কার্যক্রমের ৮১৬টি খানার জরিপ সম্পন্ন
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪১ এএম   (ভিজিট : ৮৯)
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জরিপ করছেন। ছবি : সময়ের আলো
নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার লক্ষে, পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উন্নয়নের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত মাসিক ২,৫০০ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে।

গ্রামীণ এলাকায় বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম এবং পরিবারের মাসিক আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে এই যোগ্যতা নির্ধারিত হবে। এই কার্ডটি সরাসরি পরিবারের ‘মা’ বা ‘নারী প্রধান’ সদস্যের নামে ইস্যু করা হবে।

তবে পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগী হলে, বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা থাকলে অথবা বিলাসবহল সম্পদ যেমন গাড়ি বা এসি থাকলে তারা এই সুবিধার আওতায় আসবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।

তথ্য সুত্রে জানা যায়, দেশ ব্যাপী ১৪টি ভিন্ন এলাকায় ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং কার্যক্রম এর অংশ হিসাবে নাটোরের লালপুর  উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে উপকারভোগীর ৮১৬টি খানার জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।


এ কার্যক্রমের সকল প্রস্তুতি শেষে  আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি ও কাজের অগ্রগতি বিষয় রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ গত সোমবার (২ মার্চ) বেলা দুইটার দিকে বিভাগীয় ওই কমিশনার লালপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের ডাটা এন্ট্রির কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন।
 
পরে তিনি ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং কর্ম এলাকা লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার খানা এলাকা পরিদর্শন ও উপকারভোগীদের সঙ্গে  কথা বলেন।

এ বিষয় লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভ বলেন, গ্রামীণ এলাকায় বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম এবং পরিবারের মাসিক আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে এই যোগ্যতা নির্ধারিত হবে। এই কার্ডটি সরাসরি পরিবারের ‘মা’ বা ‘নারী প্রধান’ সদস্যের নামে ইস্যু করা হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট স্কোরিং ব্যবহার করা হবে।

সমাজ কল্যণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাইলটিং পর্যায়ে ০-১০০০ স্কোরের মধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় কোয়ান্টাইলের অন্তর্ভুক্ত অতি দরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
 
পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে ১৪টি ইউনিটে ১০,০০০ পরিবারকে এ কার্ড প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে প্রতি ধাপে ১০হাজার করে বৃদ্ধি করে জুন ২০২৬ এর মধ্যে বিভিন্ন ইউনিটে ৪০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত করা হবে। তবে জরিপকৃত সকল পরিবারকেই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। এই পাইলটিং কর্মসূচির জন্য মোট ৩৪ কোটি ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন হবে, যার ৭৪ শতাংশ অর্থ সরাসরি দরিদ্র পরিবারগুলোর হাতে পৌঁছাবে। এটি বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তির একটি ঐতিহাসিক সনদ হিসেবে বিবেচিত হবে, যা প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করবে।

সময়ের আলো/জোই


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: