লোকে-লোকারণ্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার সংবাদদাতা

সারাদেশ

ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটকের আগমনে উৎসবের শহরে পরিণত হয়েছে কক্সবাজার। সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে মানুষের ঢেউ মিশে একাকার। ঈদের দিন কিছুটা

2026-03-22T18:51:29+00:00
2026-03-22T18:52:54+00:00
 
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
লোকে-লোকারণ্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
কক্সবাজার সংবাদদাতা
প্রকাশ: রোববার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম  আপডেট: ২২.০৩.২০২৬ ৬:৫২ পিএম
সংগৃহীত ছবি
ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটকের আগমনে উৎসবের শহরে পরিণত হয়েছে কক্সবাজার। সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে মানুষের ঢেউ মিশে একাকার। ঈদের দিন কিছুটা ভিড় কম থাকলেও দ্বিতীয় দিন রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকেই সৈকতের লাবনী, কলাতলী, সুগন্ধাসহ সব পয়েন্টে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে টানা ৭ দিন সরকারি ছুটি মিলিয়ে অনেকে প্রায় ১০ দিনের অবকাশ পেয়েছেন। এই সুযোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসু মানুষ ছুটে এসেছেন কক্সবাজারে। সাগরতীরে পা ফেলার জায়গা মিলছে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে কেউ নোনাজলে, কেউ বালিয়াড়িতে কাটাচ্ছেন আনন্দঘন সময়। পর্যটকদের নিরাপত্তায় লাইফগার্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

ঈদের দিন বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভাটা থাকলেও দ্বিতীয় দিনে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পর্যটকদের উপস্থিতি আরও বেড়েছে। উজ্জ্বল রোদে সমুদ্র সৈকত ফিরে পেয়েছে তার চেনা রূপ।

তবে পর্যটকদের আনন্দের মাঝে কিছুটা ভোগান্তির চিত্রও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, অধিক পর্যটকের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু হোটেল মালিক অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন। দুই-তিন হাজার টাকার কক্ষ আট থেকে ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। খাবার ও পরিবহন খরচও বেড়েছে।

নোয়াখালী থেকে আসা এক পর্যটক জানান, আগাম বুকিং না থাকায় একটি সাধারণ কক্ষ নিতে হয়েছে ৮ হাজার টাকায়, যা স্বাভাবিক সময়ে দুই হাজার টাকার বেশি নয়। এমন অভিযোগ করছেন অনেক পর্যটকই।


ট্যুরিস্ট পুলিশ জানায়, সৈকত, হোটেল-মোটেল জোন এবং বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি, ইনানী ও পাতুয়ারটেক এলাকাতেও পর্যটকদের ভিড় দেখা গেছে।

পর্যটকের ঢলে প্রাণ ফিরে পেয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়। বার্মিজ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে ব্যবসা বন্ধ থাকলেও এখন বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, শহরের প্রায় পাঁচ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোনো কক্ষ খালি নেই। ৩০ মার্চ পর্যন্ত অধিকাংশ হোটেল অগ্রিম বুকড। 

তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের হয়রানি না করতে এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হোটেল মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, পর্যটকরা আমাদের অতিথি। তাদের নিরাপত্তা ও সেবায় জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে।

সময়ের আলো/আআ
  বিষয়:   ঈদ  ছুটি  কক্সবাজার  পর্যটক  ঢল 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: