চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় এক কলেজছাত্রী সহপাঠীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহপাঠীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ মার্চ) ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গতকাল রোববার উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃত তুহিন হোসেন ওরফে সালমান গল্লাক আদর্শ কলেজের শিক্ষার্থী। সে উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের হামছাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ, ভুক্তভোগী ছাত্রী রোববার সকালে একই কলেজে অধ্যয়নরত সহপাঠী তুহিন হোসেনের সঙ্গে বাইরে ঘুরতে যান। একপর্যায়ে অভিযুক্ত তুহিন কৌশলে ওই ছাত্রীকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত তুহিন। পরিবারের সদস্যরা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হকের নির্দেশে এসআই সফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যায়। এসময় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তুহিন হোসেন ওরফে সালমানকে গ্রেফতার করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়েছে।
ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এফআর