লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আবারও শুরু হচ্ছে আনন্দঘন টিফিন কার্যক্রম। আগামীকাল ২৯ মার্চ থেকে উপজেলার ৯৬টি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণের এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূলত ঝরে পড়া রোধ এবং উপকূলীয় এলাকার শিশুদের পুষ্টির মান বাড়াতেই এই কর্মসূচি। আর উপকূলীয় ও চরাঞ্চল বেষ্টিত এই জনপদে শিশুদের স্কুলমুখী করতে সরকারি এই উদ্যোগ এক অনন্য মাইলফলক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
টিফিন তালিকায় যা থাকছে
সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসেই বৈচিত্র্যময় ও পুষ্টিকর খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে সপ্তাহে ৩ দিন দেওয়া হবে সেদ্ধ ডিম ও পাউরুটি। ১ দিন শিক্ষার্থীরা পাবে পাকা কলা ও পাউরুটি। বাকি একদিন দেওয়া হবে তরল দুধ ও বিস্কুট।
বর্তমানে রামগতি উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার হার প্রায় ৩৮-৪০ শতাংশ। দারিদ্র্যপীড়িত এই চরাঞ্চলে টিফিন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত অভিভাবকরা।
অভিভাবক ছিদ্দিক উল্লাহ ও ঝর্না বেগম জানান, বিনামূল্যে বই ও উপবৃত্তির পাশাপাশি এই টিফিন দেওয়ার ফলে শিশুরা এখন অনেক বেশি স্কুলমুখী হবে। এতে শিশুদের শারীরিক গঠনও মজবুত হবে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রমটি স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে রামগতি উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাইদুর রহমান স্বপন বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশনায় আমরা ৯৬টি স্কুলে এই পুষ্টিকর টিফিন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। উপস্থিত সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে এই সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এফআর