চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এক নারীসহ ছয়জনকে গ্রেফতারে করা হয়েছে। তাদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়ে পুলিশ।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকালে জেলা পুলিশের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২৫ মার্চ কবিতা নামের এক নারী ওই কিশোরীকে বেড়ানোর কথা বলে চুয়াডাঙ্গা শহরের বড়বাজারে নিয়ে আসে। সেখান থেকে কৌশলে তাকে আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর গ্রামের একটি নির্জন মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। মাঠে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল বখাটে দেশীয় অস্ত্রের মুখে ওই কিশোরীকে জিম্মি করে একটি আম বাগানে নিয়ে রাতভর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর ধর্ষকরা কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বড়বাজারে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। কিশোরী বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি তার স্বামীকে জানান। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী নিজে বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী কবিতাসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মিজান, আছির উদ্দিনের ছেলে সামাদ আলী, এনামুল হকের ছেলে আদম, মৃত হতাহাজ্জেল বিশ্বাসের ছেলে শাহজাহান, শিয়ালমারি গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে আব্দুস সালাম ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সাতগাড়ি পাড়ার ফয়সালের স্ত্রী মক্ষীরাণী কবিতা।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি ও ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এফআর