ফেনীতে পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় চালক-হেলপারসহ ৪ জন নিহতের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশের মহিপাল ও মুহুরীগঞ্জ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-চট্টগ্রামের বোটবাজার মইজ্জারটেক এলাকার মৃত সফর আলীর ছেলে কাভার্ডভ্যান চালক আব্দুর রহিম (৫০) ও কেরানীগঞ্জের পারগেন্ডারিয়া এলাকার সফি মিয়ার ছেলে বাসচালক আবুল হোসেন (৬২) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জয়নন্দীপুর এলাকার আবদুল হাকিমের ছেলে বাস যাত্রী মো. তাবারক আলী ফটিকের (৫৬)। তবে এ প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত নিহত অপর একজনের পরিচয় জানা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সকাল ৭টার দিকে ছাগলনাইয়ার মুহুরীগঞ্জ দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ডভ্যান অপর একটি লং ভেহিক্যালের পেছনে বেঁধে সরিয়ে নিতে চেষ্টা করছিলেন চালক ও হেলপার। এ সময় চট্টগ্রামগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস এসে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
ঘটনায় চালক-হেলপারসহ ৪ জন গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কাভার্ডভ্যানের চালক, হেলপার ও ইউনিক বাসের চালককে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
এদিকে, সকাল ৮ টার দিকে মহাসড়কের মহিপাল এলাকায় একটি বাসের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় তাবারক আলী ফটিক নামে এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. গোলাম নবী বলেন, পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৮ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জনকে মৃত ঘোষণা করে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৫ জনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবু নোমান বলেন, মুহুরিগঞ্জের ঘটনায় নিহত ৪ জনের লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস, কাভার্ডভ্যান ও লং ভেহিক্যাল পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/আতা