জ্বালানি তেল পরিবহনের সময় রংপুরে তেল চুরির দায়ে তিন শ্রমিককে জেল ও জরিমানার প্রতিবাদে কর্মবিরতি করেছে শ্রমিকরা। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনজনের মুক্তি ও নীলফামারী জেলার নেজারত ডেপুটি কালেক্টর নিয়াজ ভূঁইয়াকে অপসারণ না করলে কঠোর আন্দোলনে ডাক দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা।
রোববার (২৯ মার্চ) বেলা ২টায় রংপুর বিভাগীয় ট্যাংক-লরি শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে সামনে কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিকরা।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো থেকে রোববার সকাল ৮টা থেকে উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
রোববার বেলা সোয়া ৩টায় বিপিসির আওতাধীন জ্বালানি তেল সরবরাহের তিন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলের পার্বতীপুর রেলওয়ে অয়েল হেড ডিপোর ইনচার্জ মো. আহসান হাবিব এ তথ্য জানান।
এ বিষয়ে রংপুর বিভাগীয় ট্যাংক-লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বলেন, শনিবার পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর যমুনা কোম্পানি থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে নীলফামারীর যাচ্ছিল। নীলফামারী জেল গেটে তেলবাহী লরির যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে গাড়ির কেবিন খুলে কাজ চলছিল।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় নীলফামারীর এনডিসি নিয়াজ ভুঁইয়া তেল চুরির অভিযোগে ম্যানেজার একরামুল হক, চালক শ্রীকৃষ্ণ এবং চালক সহকারী ইসতিয়াক ওরফে রিফাতকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে তিনজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলছে।
রংপুর বিভাগীয় ট্যাংক-লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আতাউর রহমান আতু বলেন, অবিলম্বে তিন শ্রমিককে মুক্তি দিতে হবে। অভিযুক্ত নীলফামারী জেলার এনডিসি নিয়াজ ভূইয়াকে অপসারণ করতে হবে। তা নাহলে সারা দেশে কঠোর আন্দোলন করা হবে।
সময়ের আলো/আআ