সিরাজগঞ্জে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া চিকিৎসাপত্র দেওয়ার অভিযোগে ডা. ফয়সাল আহম্মেদ (৪০) নামে এক চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল (৩) বেলকুচি আমলি আদালতের বিচারক ওবায়দুল হক রুমি এই নির্দেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ডা. ফয়সাল আহম্মেদ সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সাবেক মেডিক্যাল অফিসার ছিলেন। বর্তমানে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত।
মামলার প্রধান সাক্ষী অ্যাডভোকেট ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, ২০২৫ সালের ২১ মার্চ বেলকুচি উপজেলার কদমতলি গ্রামে একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওয়াজেদ আলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে একই এলাকার মো. শাহজালাল বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
মামলার এজাহারের যুক্ত করা চিকিৎসার সার্টিফিকেট দিয়ে মো. শাহজালাল দাবি করেন, মারামারিতে আহত হয়ে তিনি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
তবে আসামি ওয়াজেদ আলী বিষয়টি আদালতে চ্যালেঞ্জ করে দাবি করেন, দাখিলকৃত সার্টিফিকেট ভুয়া। আদালত ওয়াজেদ আলীর আবেদন আমলে নিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেন।
একজন ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের তদন্তের পর চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
তদন্তে সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
এ ঘটনায় বিচারক ওবায়দুল হক রুমি একই আদালতের বেঞ্চ সহকারী রোজিনা খাতুনকে সদর থানায় মামলা করার নির্দেশ দেন। মামলায় আইনজীবী, নার্স ও ভুক্তভোগীসহ ১০ জনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
আইনজীবী ইন্দ্রজিত সাহা আরও বলেন, ওই মামলার পর আদালতে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।
এফআর