দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হাসপাতালের বহির্বিভাগ (আউটডোর) সেবাও চালু করা হবে।
জানা গেছে, রাজশাহীতে একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতালের ভবন তৈরি হয়ে থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও অন্যান্য সুবিধার অভাবে দীর্ঘ দিনেও সেবা কার্যক্রম চালু হয়নি। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুরোগীদের উপচে পড়া ভিড় এবং শয্যা সংকটের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনটি ভেন্টিলেটর প্রদান করেন সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।
রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর জন্য দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী মৃত ৩৩ শিশুর সবার মৃত্যু হামে হয়নি, তবে প্রতিটি মৃত্যুই দুঃখজনক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, দেশে হামসহ ১০ ধরনের রোগের টিকার সংকট রয়েছে। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে টিকা কিনতে ইউনিসেফকে ৬০৪ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। দ্রুতই টিকা পাওয়া যাবে।
এফআর