কৃষিতে সার্কুলার অর্থনীতির সম্ভাবনা ও রূপরেখা

মো. শাহিন আলম

মতামত

বিশ্বজুড়ে সম্পদ আহরণ, উৎপাদন ও ব্যবহারের পর তা বর্জ্য হিসেবে নিক্ষেপ করার যে প্রচলিত লিনিয়ার ইকোনমি বিদ্যমান, তা আজ প্রাকৃতিক

2026-04-03T03:34:35+00:00
2026-04-03T03:34:35+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
মতামত
কৃষিতে সার্কুলার অর্থনীতির সম্ভাবনা ও রূপরেখা
মো. শাহিন আলম
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৪ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
বিশ্বজুড়ে সম্পদ আহরণ, উৎপাদন ও ব্যবহারের পর তা বর্জ্য হিসেবে নিক্ষেপ করার যে প্রচলিত লিনিয়ার ইকোনমি বিদ্যমান, তা আজ প্রাকৃতিক সম্পদের চরম অবক্ষয় ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এই সংকটের বিপরীতে বিশ্ব অর্থনীতিবিদরা যে আলোর রেখা দেখতে পেয়েছেন, তার নাম সার্কুলার ইকোনমি বা বৃত্তাকার অর্থনীতি। 

এই অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি হলো থ্রি আর অর্থাৎ ব্যবহার কমিয়ে বর্জ্য হ্রাস করা, একই জিনিস পুনরায় ব্যবহার করা, বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে নতুন পণ্য তৈরি করা। এর লক্ষ্য অসীম সম্পদের সর্বোচ্চ উপযোগ নিশ্চিত করা, যা দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয়ের জন্যই অর্থনৈতিক সুফল বয়ে আনে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের কৃষি খাতে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে এই মডেলের প্রয়োগ এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।

দীর্ঘদিন ধরে কৃষিতে সবুজ বিপ্লব আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা দিলেও এর চড়া মূল্য দিতে হয়েছে মাটির স্বাস্থ্যকে। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের জৈব পদার্থবিষয়ক মানচিত্র অনুযায়ী দেশের ৭৮ শতাংশ জমির জৈব পদার্থ ১ শতাংশের নিচে। আদর্শগতভাবে এটি অন্তত ২ দশমিক ৫ শতাংশ হওয়া উচিত। এর অর্থ হলো দেশের বিশাল অংশের মাটি এখন অনুর্বর এবং মৃতপ্রায়। 

এসআরডিআইর সাম্প্রতিক গবেষণায় আরও দেখা গেছে, বাংলাদেশের মোট জমির ৭৬ শতাংশ মাঝারি থেকে তীব্র পর্যায়ের অবক্ষয়ের শিকার। এর ফলে প্রতি বছর শস্য উৎপাদন প্রায় ৫ দশমিক ৩৩ মেট্রিকটন বা বার্ষিক ৫ থেকে ৭ শতাংশ হারে হ্রাস পাচ্ছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছে যে, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করা না গেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে, যা খাদ্যনিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এই সংকটের মূলে রয়েছে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার, যা মাটির ভৌত অবক্ষয়ের পাশাপাশি অণুজীব ধ্বংস করে বাস্তু সংস্থানকেও পঙ্গু করে দিচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, দেশে বছরে রাসায়নিক সারের চাহিদা প্রায় ৬৯ লাখ মেট্রিকটন, যার প্রায় ৮০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) হিসাব মতে, এই আমদানিতে রাষ্ট্রকে বছরে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়। অথচ এই বিশাল ব্যয় হ্রাসের সুযোগ রয়েছে কৃষিবর্জ্য ব্যবস্থাপনায়।

কৃষিতে সার্কুলার অর্থনীতির মূল দর্শন হলো নিউট্রিয়েন্ট ল্যুপ বা পুষ্টিচক্র পুনঃস্থাপন। সহজ কথায়, মাটি থেকে আমরা ফসলের মাধ্যমে যা নিচ্ছি, তার উপজাত বা অবশিষ্টাংশ (খড়, তুষ, গোবর, লতাপাতা) পুনরায় প্রক্রিয়াজাত করে মাটিতেই ফিরিয়ে দিতে হবে।

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) ২০২৩ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ কৃষিজ অবশিষ্ট উৎপন্ন হয়, যার মধ্যে শুধু ধান খাত থেকেই প্রায় ৬৫ দশমিক ৯০ মিলিয়ন টন আসে। এর বড় অংশই যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে পুড়িয়ে ফেলা হয়, নতুবা যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়, যা বায়ুমণ্ডলে মিথেন নিঃসরণের উৎস হয়ে দাঁড়ায়।

যদি এই বর্জ্যরে একটি উল্লেখযোগ্য অংশকেও আধুনিক কম্পোস্টিং বা ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচোসার) পদ্ধতিতে জৈব সারে রূপান্তর করা যায়, তবে তা দেশের মোট রাসায়নিক সারের চাহিদার বৃহৎ একটি অংশ পূরণ করতে সক্ষম। এটি কেবল আমদানি নির্ভরতাই কমাবে না, বরং মাটির উপরিভাগের উর্বর স্তরকেও পুনরুজ্জীবিত করবে।

আমাদের প্রধান ফসল ধান। আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইআরআরআই) তথ্যমতে, ধান প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় মোট উৎপাদনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তুষ উৎপন্ন হয়। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৪ কোটি মেট্রিকটন ধান উৎপাদিত হয়, যার বিশাল অংশ থেকে পাওয়া তুষের ছাই উচ্চমানের সিলিকার আধার। ভিয়েতনাম বর্তমানে এই সিলিকা পরিশোধন করে টায়ার, সিমেন্ট ও ইলেকট্রনিকস শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে রফতানি করে কোটি কোটি ডলার আয় করছে। ধানভিত্তিক এই সার্কুলার মডেল আমাদের দেশে প্রবর্তন করা গেলে এটি কৃষকের আয়কে বহুমুখী করার পাশাপাশি দেশের জিডিপি খাতও বৃদ্ধি করবে।

একইভাবে আমাদের পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আনারসের পাতা ও কলার কাণ্ড পচে নষ্ট হচ্ছে। ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো এসবের তন্তু থেকে পরিবেশবান্ধব সুতা তৈরি করে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য এটি একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প কাঁচামাল হতে পারে। পাশাপাশি পাটের কাণ্ড থেকে চারকোল তৈরির প্রবল সম্ভাবনাও এখন আমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছে।

অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের (ডিএলএস) হিসাবমতে, দেশে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা প্রায় ৪৫ কোটিরও বেশি। এদের বর্জ্যকে যদি আধুনিক বায়ো-রিফাইনারির আওতায় আনা যায়, তবে বায়োগ্যাস ও উচ্চমানের জৈবসারের মাধ্যমে গ্রামীণ জ্বালানি ও সারের স্থানীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব।

এ ছাড়া ​মাছ চাষে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয় হলেও পানি ও খাদ্যের (ফিড) অপচয় একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সার্কুলার পদ্ধতির অ্যাকুয়াপোনিক্স বা বায়োফ্লক প্রযুক্তি এটার টেকসই সমাধান হতে পারে। মাছের বর্জ্য মিশ্রিত পানি যখন সবজি খেতে দেওয়া হয়, তখন সেই পানি সারের কাজ করে এবং গাছ পানিকে ফিল্টার করে পুনরায় মাছের ট্যাঙ্কে পাঠায়। 

এফএওর মতে, এই সিস্টেমে পানির অপচয় প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। ​পাশাপাশি পোলট্রি লিটার থেকে পোকা চাষের মাধ্যমে মাছের উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার তৈরি করা যায়। এই প্রযুক্তি ফিড খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে, যা ক্ষুদ্র খামারিদের মুনাফাকে স্থিতিশীল করবে।

তবে এই সম্ভাবনাকে বৈশ্বিক বাজারে গ্রহণযোগ্য করতে ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ উন্নত বিশ্বের দেশগুলো বর্তমানে আমদানিকৃত পণ্যের কার্বন ফুটপ্রিন্ট যাচাই করছে। আমরা যদি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে পারি যে, আমাদের কৃষিপণ্য সার্কুলার পদ্ধতিতে (বর্জ্য পুনঃব্যবহার নিশ্চিত করে) উৎপাদিত, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে আমরা গ্রিন লেবেলিংয়ের বিশেষ সুবিধা পাব। 

একজন বিদেশি ক্রেতা কিউআর কোড স্ক্যান করেই জানতে পারবেন পণ্যটি উৎপাদনে কতটা পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। এই স্বচ্ছতা বিশ্ববাজারে মেইড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি করবে।

তবে এই উজ্জ্বল সম্ভাবনার পথে কিছু কাঠামোগত চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান। আমাদের বর্তমান কৃষি নীতিমালায় সার্কুলার অর্থনীতির কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো নেই। এই সংকট নিরসনে কৃষি, পরিবেশ এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি বিশেষ সার্কুলার এগ্রিকালচার সেল গঠন করা জরুরি। এ ছাড়া রাসায়নিক সারের বিশাল ভর্তুকির একটি অংশ পর্যায়ক্রমে জৈব সার উৎপাদনকারী এবং কৃষিবর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকারী উদ্যোক্তাদের অনুকূলে বরাদ্দ করা যেতে পারে। 

জৈব কৃষি গবেষকদের মতে, এটি কেবল মাটির স্বাস্থ্যই ফেরাবে না, বরং জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও আমদানিনির্ভর সারের চাপ কমিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে সৃষ্টি করবে লক্ষাধিক গ্রিন জব বা সবুজ কর্মসংস্থান। যদিও ২০১৮ সালের কৃষি নীতিতে জৈবসারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এর কার্যকর প্রয়োগ ও বাণিজ্যিকীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক প্রণোদনা ও লজিস্টিক সহায়তার অভাব এখনও দৃশ্যমান।

বর্তমানে দেশে স্মার্ট ফার্মিংয়ের ছোঁয়ায় ব্যক্তিগত ও ক্ষুদ্র পরিসরে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। আমাদের এখন প্রয়োজন একটি সমন্বিত জাতীয় রোডম্যাপ। কৃষিতে এই সার্কুলার মডেল সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে তা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি অর্জনেও সরাসরি ভূমিকা রাখবে। 

বিশেষ করে লক্ষ্য-২ (ক্ষুধা মুক্তি ও টেকসই কৃষি), লক্ষ্য-১২ (পরিমিত ভোগ ও টেকসই উৎপাদন) এবং লক্ষ্য-১৩ (জলবায়ু কার্যক্রম)-এর লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনে বাংলাদেশ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে। মূলত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে এই খাতে বৃহদাকার বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা গেলে কৃষিতে সার্কুলার অর্থনীতির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে।

তবে এখানে লজিস্টিকস ও সাপ্লাই চেইন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একজন প্রান্তিক কৃষক তার উৎপাদিত কৃষিবর্জ্য কেন এবং কীভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে পাঠাবেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এর সমাধানে ইউনিয়ন, পৌরসভা কিংবা উপজেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে কৃষিবর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা জরুরি। কৃষকরা সেখানে বর্জ্য জমা দিয়ে বিনিময়ে সরাসরি নগদ অর্থ, সার কিংবা ইনসেনটিভ ভাউচার পাবেন। এমন একটি রিওয়ার্ড মডেল গ্রামীণ অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।

একই সঙ্গে বিএআরসি ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণাকে ল্যাবের পাশাপাশি কৃষিবর্জ্যভিত্তিক স্টার্টআপের মাধ্যমে বাণিজ্যিক মডেলে রূপান্তর করতে হবে এবং কর অবকাশ সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাপানের ইকো-ফিড প্রোগ্রাম একটি বৈশ্বিক মডেল। তারা রেস্তোরাঁ ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানার অবশিষ্টাংশ প্রক্রিয়াজাত করে পশুখাদ্যে রূপান্তর করছে, যা দেশটিকে ২০৩০ সালের এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা (১২.৩) অর্জনে আট বছর আগেই খাদ্য অপচয় ৫২ শতাংশ কমাতে সাহায্য করেছে।

জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে প্রতি বছর আমাদের আবাদি জমি ১ শতাংশেরও বেশি হারে হ্রাস পাচ্ছে। এই ধারায় জমি কমতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদে তা ১৫ শতাংশ বা তার বেশি সংকুচিত হতে পারে। 

বিশাল এই জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা তখন কেবল প্রথাগত চাষাবাদ দিয়ে নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই এখন থেকেই আমাদের ‘উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সম্পদের পুনরুদ্ধার, এই বিবিধ নীতিতে এগোতে হবে। নেদারল্যান্ডস কিংবা ভিয়েতনামের মতো বাংলাদেশও যদি সার্কুলার কৃষিকে জাতীয় কৌশলে রূপান্তর করতে পারে, তবে তা কেবল পরিবেশ নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এক নতুন ও টেকসই বিপ্লবের সূচনা করবে।

লেখক : শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সময়ের আলো/কেএইচও 


  বিষয়:   কৃষি  সার্কুলার  অর্থনীতি  রূপরেখা 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: