নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেছেন, ঈদুল আজহার আগেই নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মানুষের নৌ পথ পারাপার আরও সহজতর করার জন্য ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে। বর্তমানে চলমান একটির সঙ্গে আরেকটি ফেরি সংযুক্ত করার জন্য কাজ চলমান রয়েছে। সে জন্যই আমরা আজ পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সরেজমিনে এসেছি।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার দীর্ঘদিনের নৌ-যান ও ফেরি সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ছাড়াও এই দ্বীপ উপজেলার নদী পথ আধুনিকায়ন করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলচিরা নৌ ঘাট এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাতিয়া দ্বীপাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সে লক্ষ্যেই বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আমরা স্ব-উদ্যোগে সরেজমিনে এসেছি সব মতের মানুষের স্বার্থে। দলমত নির্বিশেষে সবার উন্নয়ন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে নৌ প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা নিজ দায়িত্ব থেকে হাতিয়ার মানুষের নৌ পথ চলা সহজতর করতে সমস্যাসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। হাতিয়ার উভয় পাশের ফেরিঘাট আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নদীর নাব্যতা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ফেরি চলাচল আরও নিরাপদ ও টেকসই করতে ঘাটের র্যাম্প উন্নয়ন এবং দুই পাশের নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও নৌপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের আরও কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী প্রমুখ।
সময়ের আলো/জোই