ইরানের আকাশজুড়ে এখন কেবলই যুদ্ধবিমান আর মিসাইলের গর্জন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পারস্যের জনপদ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের রাজধানী তেহরানের নিকটবর্তী কাশানে অন্তত ২ জন নিহত এবং ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। খবর: আইআরআইবি ও মেহর নিউজের
ইসফাহান প্রদেশের নিরাপত্তা বিষয়ক উপ-গভর্নর আকবর সালিহি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানান, ইসরায়েলি ও মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো কাশানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে শহরতলীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে। হামলায় হতাহতের পাশাপাশি স্থানীয় জনজীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে কাজ করছে।
দেশটির কোম প্রদেশের উপ-গভর্নর মুর্তজা হায়দারি জানিয়েছেন, জানজান ও তাবরিজের সংযোগকারী প্রধান মহাসড়কগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। বেসামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এসব সড়ক বর্তমানে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলি হামলার হুমকির মুখে দেশটির মাশহাদ শহরের মেয়র মোহাম্মদ রেজা কালান্দার ওই অঞ্চলে সমস্ত বিমান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।
হামলা শুরুর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ফারসি ভাষায় এক ‘জরুরি সতর্কতা’ জারি করেছে। এতে ইরানি নাগরিকদের আগামী ১২ ঘণ্টা ট্রেন ও রেলপথ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এই ১২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া রাত ৮টার ঠিক আগমুহূর্তে।
এর আগে ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তার আল্টিমেটাম না মানলে ইরানের সেতু ও জ্বালানি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
/কেএইচ