বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন এ দুই আসনেই চলছে ভোট গণনার কাজ।
এ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট চলাকালে জামায়াতের প্রার্থী বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুললেও শেষ পর্যন্ত ভোট বর্জন না করে ফলাফলের জন্য অপেক্ষার ঘোষণা দিয়েছেন।
বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। ১৫০টি কেন্দ্রে ৮৩৫টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দায়িত্ব পালন করেন দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা ভোটগ্রহণে নিয়োজিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র্যাব, সেনাবাহিনী ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন ছিল।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনেও ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভোট চলাকালে বিকেল ৩টার দিকে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। তবে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এদিকে নির্বাচন চলাকালে শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠ এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গিয়ে ইটপাটকেলের আঘাতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শেরপুর-৩ আসনে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার রয়েছেন। ১২৮টি কেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু জায়গায় জাল ভোটের ঘটনা ঘটেছে, জড়িতদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সময়ের আলো/কেএইচও