পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শিগগিরই দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তবে এই আলোচনার সময় বা স্থান এখনও নির্ধারিত হয়নি। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশই আলোচনার টেবিলে ফিরতে সদিচ্ছা প্রকাশ করেছে। বর্তমানে কার্যকর থাকা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করছে, শান্তি আলোচনার জন্য লেবাননে শান্তি অপরিহার্য।
এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তেহরানের পরমাণু কর্মসূচিসহ বেশ কিছু বিষয়ে এখনও বড় ধরনের মতভেদ রয়ে গেছে। তবে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র অগ্রগতি অর্জন করেছে।
দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির অর্ধেকের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও দুই পক্ষের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, আলোচনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি শর্ত হলো, যেকোনো চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য ইরানের প্রতিনিধিদলকে অবশ্যই আইআরজিসির কাছ থেকে পূর্ণ কর্তৃত্ব পেতে হবে।
ওয়াশিংটন চায়, ইসলামাবাদে হওয়া যেকোনো সমঝোতায় সরকারের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্মতি থাকুক।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার চার দিন পর, গত সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি ছিল মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ এবং ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্পৃক্ততা।
আরবিএন