ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরও বরিশালের পেট্রোল পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন কমছেই না। সকাল থেকে তেল নিতে পাম্পগুলোতে ভিড় করছেন যানবাহন চালকরা। আর পেট্রোল পাম্পগুলোতে এখনো রেশনিং পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল থেকে নগরীর হাতে গোনা কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল পাচ্ছেন যানবাহন চালকরা। সেখানে মোটরসাইকেলে ৩০০, মাহিন্দ্রায় ৫০০, প্রাইভেট কারে ১০০০ টাকা করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
হঠাৎ করে আগের তুলনায় অকটেন ২০, পেট্রোল ১৯, ডিজেল ১৫ টাকা বেরে যাওয়ায় বাড়তি ভোগান্তি বলছেন যানবাহন চালকরা।
তারা জানান, দাম বাড়লেও এখনো লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তেল নিতে হচ্ছে তাদের। আর হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম বেরে যাওয়ায় তাদের ভোগান্তি হচ্ছে।
আর যাত্রী পরিবহনের যানবাহন চালকরা বলেন, দাম বাড়লেও ভাড়া এখনো বাড়ায়নি তারা।
মোটরসাইকেল নিয়ে পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা সুরুজ বলেন, আধঘণ্টা পর সিরিয়াল শেষ করে এসে মাত্র ৩০০ টাকার তেল পেয়েছি। কিন্তু তেলের দাম বাড়তি। অথচ বেশি টাকা দিয়েও পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছি না।
মিন্টু খান বলেন, দাম বাড়ার প্রভাব শুধু যানবাহনেই না, এর প্রভাব সব জায়গায় পরবে। এভাবে হলে আমরা কী করবো বুঝতে পারছি না।
মাহিন্দ্রা চালক আকবর বলেন, এখন তেলেন দাম বেড়েছে। অথচ সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছি। যাত্রীদের কাছ থেকে হঠাৎ করে তো আর ভাড়া বাড়াতে পারবো না।
বর্তমানে বরিশালের পেট্রোল পাম্পগুলোতে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সময়ের আলো/জোই