বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার একটি স্কুলের পাঠদান কক্ষে গান গাইতে না পারায় নেওয়াজ তালুকদার নামে একজন শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে রামপাল উপজেলার মল্লিকেরবেড় সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ধর্মীয় ক্লাসে এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষকের এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে আহত নেওয়াজ তালুকদারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নেওয়াজ তালুকদার সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
নেওয়াজ বলেন, ধর্মীয় শিক্ষক আমিন গাজী ক্লাসে এসে আমাকে গান পরিবেশনের জন্য ডাক দেন। আমি তার কাছে গিয়ে বলি, গান পরিবেশন করতে পারি না। তখনই তিনি আমাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন। আমি স্যারের পা ধরে কাকুতি মিনতি করার পরও রক্ষা পাইনি। আমার হাত পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে লালচে দাগ পড়ে আছে। আমি স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে ওই ঘটনা জানানোর পর স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিই।
আরও পড়ুন
শিক্ষার্থীর বাবা রাজু তালুকদার বলেন, শিক্ষক আমিন গাজী তুচ্ছ কারণে আমার ছেলেকে পিটিয়ে করে আহত করেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন লাঠির ব্যবহার একেবারেই নিষিদ্ধ। আমার ছেলের সারা শরীরে লাঠির আঘাতের চিহ্ন। আমি এই ঘটনায় জড়িত শিক্ষকের বিচার দাবি করছি।
অভিযোগ ওঠা ধর্মীয় শিক্ষক আমিন গাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সন্ন্যাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার পালকে ফোন করা হলে তিনি সংবাদকর্মী শুনে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
বাগেরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেত ও লাঠির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শিক্ষক কোনো শিশুকে শারীরিক নির্যাতন করতে পারে না। এই ঘটনা তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/জোই