মধ্যস্থতার নানা চেষ্টা সত্ত্বেও আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো বৈঠকে বসছে না ইরান। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের অবস্থানকে ‘চরমপন্থী’ হিসেবে অভিহিত করে তেহরান ফেস-টু-ফেস আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
ইসলামাবাদে অবস্থানরত কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক থাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য সমঝোতা বা ‘ব্রেকথ্রু’ সম্ভব হয়নি। ফলে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য সরাসরি আলোচনার বিষয়টি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
ওমান সফর শেষে রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পুনরায় ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে তিনি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসবেন। এর আগে তার সাথে আসা প্রতিনিধি দলটি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা নিতে তেহরানে ফিরে গিয়েছিল, যারা পুনরায় ইসলামাবাদে আরাগচির সাথে যোগ দিতে পারেন।
সরাসরি বৈঠক স্থগিত হলেও পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, তারা মধ্যস্থতা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। ইসলামাবাদের প্রধান সড়কগুলো থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানি প্রতিনিধিদের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।
/কহু