স্থলবন্দরে মিয়ানমারের কাঠের ট্রলার, বাণিজ্যে নতুন আশা

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

সারাদেশ

দীর্ঘ প্রায় এক বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পুনরায় সীমান্ত বাণিজ্য চালুর উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১ মে)

2026-05-01T18:40:27+00:00
2026-05-01T18:40:27+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
স্থলবন্দরে মিয়ানমারের কাঠের ট্রলার, বাণিজ্যে নতুন আশা
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম 
টেকনাফ স্থলবন্দরে পুনরায় সীমান্ত বাণিজ্য চালু। আসছে ট্রলার ভর্তি কাঠ। ছবি : সময়ের আলো
দীর্ঘ প্রায় এক বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পুনরায় সীমান্ত বাণিজ্য চালুর উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১ মে) দুপুরে মিয়ানমারের আকিয়াব শহর থেকে পণ্যবাহী একটি কাঠের ট্রলার বন্দরে এসে পৌঁছালে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের পাঠানো এই পণ্যবাহী ট্রলারটি টেকনাফের ব্যবসায়ী ও সিআইপি ফারুকের অনুকূলে এসেছে। 

টেকনাফ স্থলবন্দরের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড’-এর মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী ট্রলার আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত পণ্যবাহী নৌযান চলাচল শুরু হলে টেকনাফ স্থলবন্দর আবারও তার পুরনো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।


মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে চলা অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে প্রায় ২৭০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা বর্তমানে ‘আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এর ফলে নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে নৌযান চলাচলও তাদের কর্তৃত্বাধীন। গত বছরের এপ্রিল মাসে পণ্যবাহী জাহাজ থেকে কমিশন (চাঁদা) দাবিকে কেন্দ্র করে আরাকান আর্মির বাধার মুখে মিয়ানমারের জান্তা সরকার সীমান্ত বাণিজ্য কার্যত বন্ধ ঘোষণা করে।

দীর্ঘ এই অচলাবস্থায় শতাধিক আমদানিকারক ও রফতানিকারক চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন এবং বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারায়।

বাণিজ্যের নতুন সূচনাকে ব্যবসায়ীরা ইতিবাচকভাবে দেখলেও কিছু আতঙ্ক এখনো বিরাজমান। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্ত এলাকা আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকায় মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশি জেলে ও ট্রলার ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। পণ্যবাহী জাহাজ থেকে চাঁদাবাজির বিষয়টিও বাণিজ্যের জন্য বড় অন্তরায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে বন্দরটি সচল করার জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নৌ প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি বন্দর পরিদর্শন করে দ্রুত বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের এই পণ্যবাহী ট্রলারের আগমনকে সীমান্ত বাণিজ্যের স্থবিরতা কাটানোর একটি শক্তিশালী ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী মহল।

সময়ের আলো/জোই


  বিষয়:   টেকনাফ স্থলবন্দর  মিয়ানমার  কাঠের ট্রলার  বাণিজ্যে 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: