শিল্পায়নে পিছিয়ে পড়া জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করতে নতুন করে গড়ে তোলা হচ্ছে বৃহৎ শিল্প পার্ক। যেখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
দ্রুত বেকারত্ব দূর করতে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রয়োজনে আরও শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।
শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঠাকুরগাঁও বিসিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই নতুন কলকারখানা ও বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে প্রায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে ঠাকুরগাঁও শিল্প পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে ২৫১টি প্লট থাকবে। এসব প্লটে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। কেউ হয়ত দুই, তিন কিংবা চারটি প্লট নিয়েও শিল্প স্থাপন করবেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন নতুন রফতানিযোগ্য ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে আলুভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে ব্যাপক পরিমাণে আলু উৎপাদিত হলেও রপ্তানিযোগ্য আলুর ঘাটতি রয়েছে। তাই রফতানিযোগ্য আলুর নতুন জাত উৎপাদনের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে ইতোমধ্যে একটি ইপিজেড রয়েছে, যেখানে শিল্প উদ্যোক্তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। নতুন যে বিসিক শিল্পনগরী নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন শিল্প উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা প্লট নিয়ে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তা এবং জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে শিল্পমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও পুরাতন বিসিক শিল্পনগরীর বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা নেন।
সময়ের আলো/জোই