ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখলেন ৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক
গাজার ধ্বংসস্তূপ আর বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখলেন ৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতি।মানবিক সহায়তা সংস্থা আইএইচএইচ-এর উদ্যোগে গাজা সিটিতে সোমবার (১১
গাজার ধ্বংসস্তূপ আর বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখলেন ৫০ ফিলিস্তিনি দম্পতি। মানবিক সহায়তা সংস্থা আইএইচএইচ-এর উদ্যোগে গাজা সিটিতে সোমবার (১১ মে) আয়োজিত এক গণবিবাহ অনুষ্ঠানে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবেশ, অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘ দুর্ভোগের মাঝেও এই আয়োজন অনেকের কাছে ছিল আশা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার এক প্রতীক। অনুষ্ঠানে কনেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দেখা যায়, আর পরিবার ও স্বজনদের অংশগ্রহণে পুরো পরিবেশে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ফিরে আসে আনন্দের আবহ।
বিয়ের অনুষ্ঠানে ফুল হাতে কনেরা বসে আছেন। ছবি : মিডল ইস্ট মনিটর
এক কনে বলেন, দুই বছরের যুদ্ধ ও কষ্টের পর, আমরা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ যে আমরা এমন এক মুহূর্তে পৌঁছেছি, যেখানে কিছুটা আনন্দ অনুভব করতে পারছি এবং এই বড় আনন্দের অংশ হতে পারছি।
তিনি আরও বলেন, যদিও অনুষ্ঠানটি যে স্থানে হচ্ছে এর চারপাশে ব্যাপক ধ্বংসের চিহ্ন রয়েছে, আশপাশের অধিকাংশ ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে শহীদ হিসেবে সমাহিত রয়েছেন। তবুও আমরা আশা রাখছি, নতুন জীবন শুরু করার।
নাচে-গানে অনুষ্ঠানকে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে। ছবি : মিডল ইস্ট মনিটর
কনেদের মতোই বররাও একসঙ্গে ছবি তোলার জন্য বসে আছেন। ছবি : মিডল ইস্ট মনিটর
নাচে বররাও অংশ নিয়েছে। তাদের নাচে-গানে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে। ছবি : মিডল ইস্ট মনিটর
কনেদের ছবির সামনে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়াতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন শিশুকে। ছবি : মিডল ইস্ট মনিটর
বিয়ের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন নবদম্পতিদের পরিবারের সদস্যরা, স্থানীয় নেতা এবং প্রতিনিধিরা। সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মী ও সাধারণ জনতা।
এর আগে, গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ৩০০ যুগলের গণ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ২০ হাজার মানুষ তাদের বিয়েতে জড়ো হয়েছিলেন। গণ বিয়ের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল আমিরাতের ‘গালান্ত নাইট ৩’ পোগ্রামের আওতায়।