মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের নেতা। ট্রাম্প সরাসরি কথা বলেন এবং স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। অন্যদিকে শি জিনপিং অনেক বেশি সংযত, দূরবর্তী এবং প্রতীক ও রূপকের মাধ্যমে কথা বলতে পছন্দ করেন। এই সফরে কী ঘটবে তা নিয়ে তাই পুরো বিশ্বের নজর রয়েছে।
চীনের ক্ষমতার কেন্দ্র হলো ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’, যা ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস হিসেবে ধরা হয়। এখানেই শি জিনপিং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বৈঠক ও বিদেশি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
চীন কূটনীতিতে প্রতীক ও দৃশ্যমান আয়োজনকে খুব গুরুত্ব দেয়। অতিথিকে কীভাবে অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে, সেটি দিয়ে তারা তার গুরুত্বও প্রকাশ করে।
২০১৭ সালে ট্রাম্প যখন প্রথম চীন সফর করেন, তখন তাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, যাকে চীন ‘স্টেট ভিজিট-প্লাস’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। এটি ছিল খুবই উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সম্মান।
এবারও ট্রাম্পকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং, যিনি মূলত আনুষ্ঠানিক ও প্রোটোকল দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজা চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে চীনকে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন জানে ট্রাম্পকে কূটনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব দেখাতে হবে। তাই তাকে উচ্চপর্যায়ের অভ্যর্থনা ও লাল গালিচার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়েছে— যা মূলত চীনের কূটনৈতিক বার্তা এবং শক্তি প্রদর্শনের অংশ।
সূত্র : আল-জাজিরা
/ইউএমএইচ