খাদ্য ও ওষুধে সর্বগ্রাসী ভেজাল, মৃত্যুর মুখে মানবাধিকার

এম সফিউল আজম চৌধুরী

মতামত

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে মৌলিক অধিকারগুলোর অন্যতম হলো নিরাপদ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং জীবন

2026-05-20T02:59:49+00:00
2026-05-20T02:59:49+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
মতামত
খাদ্য ও ওষুধে সর্বগ্রাসী ভেজাল, মৃত্যুর মুখে মানবাধিকার
এম সফিউল আজম চৌধুরী
প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ২:৫৯ এএম 
গ্রাফিক : সময়ের আলো
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে মৌলিক অধিকারগুলোর অন্যতম হলো নিরাপদ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আজ বাংলাদেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ভেজাল আর নকলের এক সর্বগ্রাসী মহোৎসব চলছে। 

সকালের নাশতার টেবিল থেকে শুরু করে রাতের শেষ ওষুধটি পর্যন্ত কোথাও আজ বিন্দুমাত্র নিশ্চয়তা নেই, কোনো পণ্যই আজ শঙ্কাযুক্ত নয়। 

আমরা প্রতিদিন যা খাচ্ছি, যা ব্যবহার করছি বা রোগমুক্তির আশায় যে ওষুধ সেবন করছি, তার সিংহভাগই সুকৌশলে মেশানো বিষে জর্জরিত। দেশে কঠোর আইন আছে, কাগজে-কলমে সর্বোচ্চ সাজার বিধান আছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দীর্ঘ তালিকা আছে, কিন্তু নেই শুধু আইনের কার্যকর, সুনির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক প্রয়োগ। 

​বাংলাদেশে ভেজাল এবং নকলের বিস্তার আজ আর কোনো সুনির্দিষ্ট পণ্য বা সীমিত বিপণন ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এর ব্যাপ্তি এখন বহুমুখী, প্রাতিষ্ঠানিক ও সর্বগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। চাল, ডাল, তেল, মসলা থেকে শুরু করে মাছ-মাংস এবং শাকসবজিসহ নিত্যদিনের খাদ্যতালিকার সবকিছুতেই মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক। 

প্রসাধনী, সাবান, শ্যাম্পু থেকে শুরু করে মশার কয়েল বা ঘরোয়া পরিচ্ছন্নতাসামগ্রী- সবই তৈরি হচ্ছে নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়ক হুবহু নকল করে ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ শিল্প-কেমিক্যাল দিয়ে, যা ব্যবহারের ফলে মানুষের স্বাভাবিক ত্বক নষ্ট হচ্ছে এবং দেশে দেখা দিচ্ছে স্কিন ক্যানসারের মতো জটিল ও ব্যয়বহুল ব্যাধি। 

সবচেয়ে ভয়াবহ এবং লোমহর্ষক পরিস্থিতি বিরাজ করছে দেশের ওষুধ খাতে। যে ওষুধ একজন মানুষের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে জীবন বাঁচানোর কথা, সেই ওষুধই এখন মানুষের মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। 

নকল অ্যান্টিবায়োটিক, মেয়াদোত্তীর্ণ ও দূষিত স্যালাইন, ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ কিংবা স্রেফ ময়দা আর চকপাউডার দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন জটিল ও সংবেদনশীল রোগের ট্যাবলেট। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ক্যানসারের মতো স্পর্শকাতর রোগের নকল ওষুধ বাজারে দেদার বিক্রি হচ্ছে। 

সাম্প্রতিক বিভিন্ন সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জীবন রক্ষাকারী ওষুধের এই আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় জালিয়াত চক্র দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে খোদ রাজধানীর বড় বড় ওষুধের মার্কেট পর্যন্ত তাদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে, যা সারা দেশের জনস্বাস্থ্যকে এক অপূরণীয় ও চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে।

​খাদ্য ও ওষুধে এই ভয়াবহ ভেজালের মারাত্মক প্রভাব সরাসরি পড়ছে মানুষের শরীরে। দেশের একজন প্রথিতযশা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও প্রবীণ চিকিৎসক সুরক্ষার স্বার্থে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, আমরা এক ভয়াবহ ‘মেডিকেল সুনামি’ বা নজিরবিহীন চিকিৎসা বিপর্যয়ের দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। 

আজ দেশের ছোট-বড় হাসপাতালে ক্যানসার, কিডনি বিকল, লিভার সিরোসিস এবং হৃদরোগীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে এবং এর প্রধানতম কারণ হলো আমরা প্রতিদিন সজ্ঞানে কিংবা অজ্ঞানে যে রাসায়নিক বিষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করছি। 

গর্ভবতী মায়েরা যখন এই ভেজাল ও কেমিক্যালযুক্ত খাদ্য প্রতিনিয়ত গ্রহণ করেন, তখন গর্ভস্থ শিশু পুষ্টিহীনতা, বিকলাঙ্গতা বা মারাত্মক কোনো জন্মগত প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্ম নেয়, যা একটি পুরো প্রজন্মের জন্য অভিশাপ। তার মতে, তার চেয়েও বড় শঙ্কার ও আতঙ্কের জায়গা হলো নকল ও ভেজাল ওষুধ। 

একজন মুমূর্ষু রোগীকে যখন জীবন বাঁচানোর জন্য নকল বা কার্যকারিতাহীন অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, তখন তার শরীর ধীরে ধীরে ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট হয়ে পড়ে। অর্থাৎ পরবর্তী সময়ে আসল এবং ভালো মানের ওষুধ খাওয়ালেও তা শরীরে আর কোনো কাজ করে না। এটা স্রেফ ভেজাল বা বাণিজ্যিক জালিয়াতি নয়, এটি একটি পরিকল্পিত নীরব হত্যাকাণ্ড। 

রাষ্ট্র ও প্রশাসন যদি এখনই কঠোরভাবে এই সিন্ডিকেটকে গোড়া থেকে দমন না করে, তবে আগামী এক দশকের মধ্যে আমরা মেধাহীন, পঙ্গু ও একটি সম্পূর্ণ অসুস্থ জাতিতে পরিণত হব, যাদের চিকিৎসা করাতেই দেশের সিংহভাগ অর্থ শেষ হয়ে যাবে।

দেশের সচেতন অর্থনৈতিক ও উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী সমাজও এই বাজার অরাজকতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং সুনির্দিষ্ট সমাধানের কথা বলছেন। বাংলাদেশে ভেজাল ও নকল পণ্য প্রতিরোধে আইনের কিন্তু কোনো অভাব নেই। 

সংবিধানে যেমন নাগরিকদের সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে একাধিক বিশেষায়িত আইন ও সেল। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ (১) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, জনসাধারণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র তাহার প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন। 

দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৭২ ও ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে খাদ্য বা পানীয়তে ক্ষতিকর ভেজাল মেশানো এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য-পানীয় জেনেবুঝে বিক্রয় করা একটি বড় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

এ ছাড়া এই দণ্ডবিধিরই ২৭৪ ও ২৭৫ ধারা অনুযায়ী, ওষুধে কোনো প্রকার ভেজাল দেওয়া এবং ভেজাল ওষুধ বাজারে বিক্রি করার জন্য কঠোর সাজা ও আর্থিক জরিমানার সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। 

এর বাইরেও, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫(গ) ধারা অত্যন্ত কঠোর ও শক্তিশালী, যেখানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা প্রসাধনীতে ভেজাল দেওয়া বা ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা চৌদ্দ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। 

এর পাশাপাশি ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর অধীনে অপরাধের ধরনভেদে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও লাখ লাখ টাকা জরিমানার স্পষ্ট আইনগত ভিত্তি রয়েছে।

​আইনের এই বিশাল খতিয়ান, ধারার পর ধারা এবং কঠোর সাজার বিধান খতিয়ে দেখলে যেকোনো সাধারণ মানুষের মনে হবে, বাংলাদেশে ভেজালকারীদের বেঁচে থাকার বা পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। 

কিন্তু বাস্তবতার মাটিতে চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো এবং হতাশার। মাঝেমধ্যে র‌্যাব, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, জেলা প্রশাসন কিংবা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বাজারে বা ভেজাল তৈরির কারখানায় ঝটিকা অভিযান চালায়। লাখ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়, সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয় নামিদামি ব্র্যান্ডের শোরুম বা ভেজাল তৈরির গোপন কারখানা। 

​ভেজাল ও নকলের এই করাল গ্রাসকে কেবলই সাধারণ কোনো বাণিজ্যিক অপরাধ বা অর্থনৈতিক কারচুপি হিসেবে দেখতে নারাজ দেশের প্রথম সারির মানবাধিকার কর্মীরা। 

কিন্তু যখন রাষ্ট্র বাজারে নাগরিকদের জন্য নিরাপদ খাদ্য এবং আসল ওষুধ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তখন রাষ্ট্রের নাগরিকদের সেই মৌলিক মানবাধিকার সরাসরি লঙ্ঘিত হয়। 

ভেজাল খাদ্য ও ওষুধ বিক্রি করা কোনো সাধারণ চোরাচালান বা কালোবাজারি নয়, এটি মানবাধিকারের চরম ও নিকৃষ্টতম লঙ্ঘন। অপরাধীরা জেনেবুঝে মানুষের মুখে বিষ তুলে দিচ্ছে স্রেফ নিজেদের কাগজের টাকা বাড়ানোর জন্য। 

আর রাষ্ট্র যখন অদৃশ্য কারণে এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযান মাঝপথে থামিয়ে দেয়, তখন রাষ্ট্র প্রকারান্তরে অপরাধীদেরই অভয়ছত্র ও প্রশ্রয় দেয়। 

দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষ আজ চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে ঘটিবাটি বিক্রি করে নিঃস্ব ও নিঃস্বতর হয়ে যাচ্ছে। এটি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর এক নগ্ন, নিষ্ঠুর ও সুপরিকল্পিত হস্তক্ষেপ। মানবাধিকারের বড় বড় বুলি আওড়ানোর আগে সবার আগে মানুষের বেঁচে থাকার এই ন্যূনতম ও মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রথম ও প্রধান করণীয় হলো- বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান খাদ্য ও ওষুধ তদারকির বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থা দূর করা। 

বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরকে এক ছাতার নিচে এনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদলে একটি স্বাধীন, বৈজ্ঞানিক ও শক্তিশালী ‘জাতীয় খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ’ গঠন করতে হবে। 

এর ফলে একটি একক জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উৎপাদন থেকে পাতের খাবার এবং ফার্মেসির ওষুধ পর্যন্ত সবকিছুর শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

​একই সঙ্গে আইনের কঠোর প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরকারকে শূন্য সহনশীলতা বা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করতে হবে। মোবাইল কোর্ট দিয়ে শুধু খুচরা বিক্রেতা বা চুনোপুঁটিদের নামমাত্র জরিমানা করার সংস্কৃতি বন্ধ করে, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫(গ) ধারা সুনির্দিষ্টভাবে প্রয়োগ করতে হবে। 

বিষাক্ত ভেজাল মিশ্রণকারী এবং নকল জীবন রক্ষাকারী ওষুধ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ও গডফাদারদের চিহ্নিত করে এই আইনের অধীনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের মতো সর্বোচ্চ শাস্তি সরাসরি কার্যকর করার রাজনৈতিক সাহসিকতা দেখাতে হবে। 

অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক তদবির বরদাশত করা যাবে না। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের তদারকি জোরদার করতে দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় শহরে সর্বাধুনিক পরীক্ষাগার বা সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি স্থাপন করা সরকারের দায়িত্ব, যেন যেকোনো নাগরিক বা পরিদর্শক দ্রুততম সময়ে নামমাত্র খরচে পণ্যের মান নিখুঁতভাবে যাচাই করতে পারেন। 

​একটি দেশের বা জাতির খাদ্য ও ওষুধ যদি রাসায়নিক ভেজালে পূর্ণ হয়, তবে সেই জাতির শারীরিক ও মানসিক ভবিষ্যৎ ধসে পড়তে বাধ্য। 

আমরা অবকাঠামোগতভাবে যতই উন্নত হই না কেন, আমাদের মাথাপিছু আয় যতই বাড়ুক না কেন, আমাদের নাগরিকরা যদি বিষাক্ত খাবার খেয়ে আর নকল ওষুধ সেবন করে অকালেই হাসপাতালের বিছানায় ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, তবে সেই বাহ্যিক উন্নয়নের কোনো বাস্তব মূল্য থাকে না। সময় এসেছে ‘অদৃশ্য কারণ’ নামক অন্যায় দেয়ালটিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার। 

রাষ্ট্রকে কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে যে, সে গুটিকয়েক অপরাধী সিন্ডিকেটের চেয়ে দেশের কোটি কোটি সাধারণ নাগরিকের জীবনের মূল্য অনেক বেশি দেয়। 

আর বিলম্ব করার সুযোগ নেই, সরকারের পক্ষ থেকে এখনই যদি কার্যকর, টেকসই ও কঠোরতম পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। মুক্ত বাতাস, নিরাপদ খাবার আর আসল ওষুধের নিশ্চয়তা নিয়ে বেঁচে থাকা আমাদের কারও করুণা বা দয়া নয়, এটি আমাদের জন্মগত ও অলঙ্ঘনীয় অধিকার। 

লেখক : মানবাধিকার কর্মী

/এসএকে


  বিষয়:   খাদ্য  ওষুধ  ভেজাল  মৃত্যু  মানবাধিকার 


Loading...
Loading...
মতামত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: