ব্যাঙের ছাতার মতো লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকে ছেয়ে গেছে শহর

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুষ্টিয়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার। জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালগুলোর অব্যবস্থাপনার সুযোগে বেসরকারি হাসপাতাল,

2026-05-20T18:34:01+00:00
2026-05-20T19:06:36+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
ব্যাঙের ছাতার মতো লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকে ছেয়ে গেছে শহর
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ পিএম  আপডেট: ২০.০৫.২০২৬ ৭:০৬ পিএম
ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের ব্যাসিন ও সামনের চিত্র। ছবি : সময়ের আলো
কুষ্টিয়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার। জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালগুলোর অব্যবস্থাপনার সুযোগে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের চিকিৎসায় ন্যূনতম সেবা নেই, এখন এটি সম্পূর্ণ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে।

এদিকে, সরকারি তদারকির অভাবে কুষ্টিয়ার ৬টি উপজেলার বেসরকারি লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারসহ অর্ধশত প্রতিষ্ঠান রোগীদের দুর্বলতার সুযোগে তাদের জিম্মি করে ইচ্ছামতো অর্থ আদায় করছে। স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার নাম করে জনসাধারণের অর্থ লুটপাট ও প্রতারণা করছে। অনেক ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের নেই পর্যাপ্ত লোকবল, নেই মেশিনারি, নেই অনুমোদন, তবুও দালাল মারফত প্রতিনিয়ত চলছে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা। কিন্তু এই নিয়ে কর্তৃপক্ষের মাথাব্যথা দেখা যায়নি।

নিয়ম অনুযায়ী, একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনের কথা থাকলেও তা ঠিকমতো নজরদারির আওতায় আসেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা থাকার পরও নীরব ভূমিকায় আছেন স্বাস্থ্য অধিদফতর ও সিভিল সার্জন অফিস। গত বছর স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনার পর অনেক অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তদারকির অভাবে সেগুলো এখন চলমান। অনেকেই আবার নাম পরিবর্তন করে পুনরায় চালাচ্ছেন সেসব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার।


ব্ল্যাক লিস্ট থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে এখনো বহাল তবিয়তে তারা। নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে কাজ করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন আছে নীরব ভূমিকায়। এসব ১০ বেডের একটি ক্লিনিকের জন্য তিনজন সার্বক্ষণিক চিকিৎসক, ছয়জন ডিপ্লোমা নার্স, তিনজন সুইপার থাকার পাশাপাশি তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সম্মতিপত্র থাকলেই তার অনুমোদন মিলবে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে। তবে অনুমোদনের আগেই এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ক্লিনিক চালু করতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শন শেষে রেজিস্ট্রেশন লাভের পরেই সেটি হবে বৈধ ক্লিনিক। আর এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের অধিকাংশ চিকিৎসকই ভুয়া।

সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, কুষ্টিয়ায় লাইসেন্সকৃত ২৪১টি ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার আছে। তবে এদের বেশির ভাগেরই নবায়ন নেই। স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে যারা এখনও নবায়ন করেননি বা অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সময়ের আলো/জোই/জেডও


  বিষয়:   কুষ্টিয়া  ব্যাঙের ছাতা  লাইসেন্সবিহীন  ক্লিনিক  ডায়াগনোস্টিক সেন্টার 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: