নওগাঁর ধামইরহাটে ১০ বছর বয়সি এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক হাফেজ মমিনুল হককে (২৬) গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সময়ের আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান।
গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের বাদাল উলুম আশরাফিয়া থানবিয়া কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। তারপর বাদাল উলুম আশরাফিয়া থানবিয়া কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি নূরন্নবী হোসেন বৃহস্পতিবার বিকেলে বাদি হয়ে ধামইরহাট ধানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
শিক্ষকের বিচার চেয়ে খাদিজা বলেন, ‘ছেলেকে কোরআনের হাফেজ বানানোর জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলাম। আজ সকালে জানতে পারি মাদ্রাসার শিক্ষক ছেলের সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে।’ এমন ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, এ কারণে প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে নূরন্নবী হোসেন সময়ের আলোকে জানান, মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে কোরআনের হাফেজের জন্য পড়াশোনা করাচ্ছিলেন তার পরিবার। মঙ্গলবার রাতে ওই শিক্ষক তার শোবার কক্ষে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে তাকে।
নূরন্নবী আরও জানান, ঘটনার পরের দিন বুধবার ভিক্টিম বলাৎকারের বিষয়টি সহপাঠীদের জানালে, সহপাঠীরা পরিবারের কাছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ বিষয়ে অভিযোগ করে। এরপর মাদ্রাসা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতায় স্থানীয়রা মমিনুল হককে বৃহস্পতিবার সকালে আটক করে এবং পুলিশকে খবর দেয়।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ধর্ষণ মামলা দায়েরের মাধ্যমে ওই শিক্ষককে জেলা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হবে।’
/মহু