ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রিয়া আক্তার শান্তা (২৫) নামে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. কাউসারকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) কসবা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। তারপর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত রিয়া আক্তার উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার মেয়ে। একই উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের ভোল্লাবাড়ি এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এ ছাড়াও শান্তা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শান্তা কীটনাশক পান করেন। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় স্বামী কাউসার তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পরিবারের দাবি, শান্তাকে জোরপূর্বক কীটনাশক খাওয়ানো হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাউসারকে আটক করা হয়।
নিহতের ফুফাতো বোন রিনা বেগম জানান, শান্তা আত্মহত্যা করতে পারেন না। তাকে নির্যাতনের পর জোরপূর্বক কীটনাশক খাওয়ানো হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
/মহু