পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় মাত্র সাত দিনের ব্যবধানে আবারও জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে ওই এলাকা থেকে আরও এক ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
রোববার (৩১ মে) সকালে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থান থেকে নিহত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ।
নিহতরা হলেন— আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে আব্দুর রশিদ (৪০) এবং একই এলাকার কালু মিয়ার ছেলে সাগর (৩০)। এদিকে একই গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার প্যাদার ছেলে ইউসুফ প্যাদা (৪২) শনিবার (৩০ মে) রাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩০ মে) রাত ১১টার দিকে আব্দুর রশিদকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে ভোরে নেহালিয়া মাদ্রাসার পাশের একটি মক্তবখানার কাছে কাদামাখা অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। অন্যদিকে, সাগরের লাশ আজ সকালে তার নিজের বাড়ির পেছন থেকে উদ্ধার করা হয়। তাকেও পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা।
গত রাত থেকে নিখোঁজ থাকা ইউসুফ প্যাদার পরিবার জানায়, রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পর পর দুটি হত্যাকাণ্ডের পর ইউসুফের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে তার পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে একই ইউনিয়নের দুটি ভিন্ন স্থান থেকে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুটির শরীরে কাদামাটি মাখানো ছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ বা রহস্য এখনো উদঘাটন করা যায়নি।
তিনি আরও জানান, নিখোঁজ ইউসুফ প্যাদাকে খুঁজে বের করতে পুলিশের একটি বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে।
সময়ের আলো/জেডি